Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নববর্ষে মাছে, ভাতে মিষ্টিতে জমে উঠুক দুপুরের ভুরিভোজ, জানুন জম্পেশ রেসিপিগুলি

বাঙালি মানেই বারো মাসে তেরো পর্বণ। আর উৎসব মানেই খাওয়া দাওয়া তো থাকবেই। ভুরিভোজ ছাড়া কি আর উৎসব চলে বলুন! রাত পোহালেই পয়লা বৈশাখ। ১৫ এপ্রিল পালিত হবে পয়লা বৈশাখ। এই পয়লা বৈশাখ বাড়িতেই সুস্বাদু যেকোনও রান্না করতে থাকেন সকলে। সকলেই যে মাংস খেতে পছন্দ করেন, তা নয়।

তবে মাছের যেকোনও রেসিপি খেতে অনেকেই ভীষণ পছন্দ করেন। কথাতেই আছে, মাছে ভাতে বাঙালি। শেষে যদি এক থেকে দুই টুকরো মিষ্টি থাকে, তাহলে কিন্তু মন্দ হয় না। তাই এই সুস্বাদু রেসিপিগুলি খেতে একদমই বাইরে যেতে হবে না। আপনি খুব সহজেই বাড়িয়ে বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন এই রেসিপিগুলি।

Poila Boishakh 2025

মাছের রেজালা

কাতলা মাছ কিংবা রুই মাছ খেতে কমবেশি সকলেই ভীষণ পছন্দ করেন আপনিও। যদি আপনি মাছ প্রেমী হয়ে থাকেন, তাহলে নববর্ষের দিনে বানিয়ে ফেলুন রুই কিংবা কাতলা মাছ দিয়ে কালিয়া অর্থাৎ যা বানানোর জন্য আপনার বাড়িতেই কিন্তু সমস্ত উপকরণ রয়েছে। জানুন কী কী লাগবে।

বানাতে আপনার কী কী লাগবে। যেমন- বড় সাইজের মাছ নেবেন। নুন, জিরা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, গোটা গরম মশলা, কাঁচা লঙ্কা, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কিশমিশ, জাফরান, সরষে তেল।

প্রথমে আপনাকে একটি কড়াই নিয়ে ভালোভাবে তেল গরম করে মাছগুলি নুন, হলুদ দিয়ে মাখিয়ে ভেজে রাখতে হবে। তারপরে এতে গরম মশলা ফোঁড়ন দিন। দিয়ে কিছুটা কাজু, কিশমিশ বাটা দিয়ে আর আদা বাটা আর পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে দিন। তারপরে আপনার নুন, হলুদ, কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে আর যে মশলা দেবেন জিরেগুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো দেবেন। তারপর ভালোভাবে মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। যখনই ঝোল ফুটে আসবে তখন আপনি যে মাছগুলো ভেজে রেখেছেন দিয়ে দিন। তারপর উপর থেকে জাফরান চাইলে একটু গোলাপ জলও দিতে পারেন। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু মাছের রেজালা। এটি কিন্তু গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে খেতে দারুন লাগবে।

ঝিঙে কাতলা

এই মাছের জন্য আপনাকে কিন্তু বড় বড় সাইজের কাতলা মাছের পেটি নিলে ভালো হয়। একটা ঝিঙে নিন। তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, জিরে, হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, নুন, সরষের তেল।

কীভাবে বানেবন- এটা রান্নার জন্য প্রথমে মাছগুলোকে নুন, হলুদ দিয়ে মাখিয়ে অন্তত ১০ মিনিট মাখিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে তেল দিয়ে ভালোভাবে গরম করে তাতে মাছগুলো লাল করে ভেজে নিন। তারপর তাতেই শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা জিড়ে ফোঁড়ন দিন দিয়ে আপনি আর একটু নাড়াচাড়া করে আপনি দিয়ে দিন। ঝিঙে দিয়ে লঙ্কার দিয়ে ভালোভাবে কষাতে থাকুন। তারপর যখন দেখবেন ঢাকা দিন। যখন ঝোল ফুটে উঠবে। ভাজা মাছগুলো দিয়ে দেবেন। আপনার ঝিঙে কাতলা এরপরে উপর থেকে আপনি দিয়ে দিতে পারবেন কিছুটা পরিমাণ ধনেপাতা। এটা কিন্তু যারা হালকা খাবার খান, তাদের জন্য কিন্তু অসাধারণ একবার আপনিও কিন্তু পয়লা বৈশাখে এই রান্না ট্রাই করতে করতে পারেন।

চিংড়ি বাটা

বাটাবুটি হলে কিন্তু ভাতের পরিমাণ সকলেরই বাড়তে থাকে। আবার চিংড়ি তাহলে তো কোন কথাই নেই। তাই এই চিংড়ির মালাইকারি, ভাপা কালিয়া, অনেক তো খেয়েছেন এবার নয় একটু চিংড়ি বাটা খান। এই চিংড়ি বাটা পয়লা বৈশাখে কীভাবে বানাবেন। বানাতেই বা কী কী লাগবে, জানুন।

চিংড়ি মাছ যদি পারেন ছোট চিংড়ি নিতে পারেন, সরষের তেল, রসুন, কাঁচা লঙ্কা, শুকনো লঙ্কা, হলুদ, ধনেপাতা। ব্যাস তাহলেই হয়ে যাবে আপনার চিংড়ি বাটা।

প্রথমে চিংড়ি মাছগুলোকে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। তারপরে সেগুলোকে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর তাতে নুন, হলুদ মাখিয়ে রাখুন। এরপর কড়াই বসিয়ে তাতে তেল গরম করে নিয়ে ভালো করে চিংড়ি মাছগুলো ভেজে তুলে নিন। তবে বেশি কড়া করে ভাজবেন না। তারপর দুটো পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা লঙ্কা ভেজে নিন। একটু নরম নরম করে ভাজবেন সেই ভাজার সময় একটু নুন দিয়ে দিন।

তারপরে আরেকটি কড়াইতে শুকনো লঙ্কা ভেজে তুলে রাখুন। শুকনো লঙ্কা আলাদা করে হাতে কুড়িয়ে তাতে একটু নুন দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তারপরে সব ঠান্ডা হলে মিক্সিতে দিন দিয়ে পেস্ট করে নিন। আরও ভালো হয় যদি সবকিছু নিয়ে একভাবে শিলে বাটেন। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে গরম চিংড়ি বাটা, তারপরে উপর থেকে একটু ধনেপাতা ছড়িয়ে দেবেন। তাহলেই কিন্তু আপনার চিংড়ি বাটা রেডি। এই রেসিপিটি আপনি কিন্তু অবশ্যই পয়লা বৈশাখে ট্রাই করবেন।

মিষ্টি

উৎসবের মরশুমে মিষ্টি থাকবে না তাই এবার হয় নাকি। রকমারি মিষ্টি খাওয়ার জন্য লাইন দোকানে লাইন পড়ে যায়। আর আপনি কিন্তু এবার দোকানে লাইন না দিয়ে বাড়িতেই সুন্দর ভাবে মিষ্টি বানিয়ে নিন। কী কী মিষ্টি বানাবেন পয়লা বৈশাখে জানুন।

রসমালাই

রসমালাই খেতে কমবেশি সকলেই ভীষণ পছন্দ করেন। আপনি কিন্তু পয়লা বৈশাখে বাড়িতে বানিয়ে নিন রসমালাই। যার জন্য লাগবে দুধ, চিনি, লেবুর রস কিংবা ভিনেগার, জল, ড্রাই ফুটস।

এর জন্য প্রথমে আপনি ছানা তৈরি করবার জন্য দুধকে ভালোভাবে জাল দিয়ে দিন। দেওয়ার পরে তাতে লেবুর রস কিংবা ভিনেগার দিয়ে ছানা কাটিয়ে নিন। নেওয়া হলে আপনি সেটাকে একটা সাদা কাপড়ে দিয়ে ভালোভাবে জল ঝড়াতে দিন। ঠান্ডা হয় তারপরে সেটা হাত দিয়ে চেপে চেপে ভেতর থেকে সমস্ত জল বার করে ছানাটা নিয়ে নিন। নিয়ে সেই ছানাটাকে ভালোভাবে হাত দিয়ে মাখতে থাকুন তারপর তাতে ময়দা, সুজি,বেকিং পাউডার দিয়ে ভালোভাবে মাখতে থাকুন। তারপরে মিষ্টির আকার দিতে থাকুন। তারপরে একটি হাঁড়িতে সিরা বানিয়ে জল ও চিনি ফোটাতে দিন। তাহলে তারপরে তাতে ভিনেগার দিয়ে ছোট ছোট মিষ্টি গুলিকে হাঁড়িতে দিয়ে দিন।

তারপর অন্য একটি পাত্রে আপনি দিয়ে দিন ভালোভাবে দুধ জাল করুন। মাঝারি আঁচে নেড়েচেড়ে দুধ ঘন করে নিন। দুধ যখন অর্ধেক হয়ে যাবে, তখন আর দেখবেন নিচে যেন না লেগে যায়। সর হয়ে না যায়, তারপর চিনি ও এলাচগুঁড়ো ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। তারপরে যখন এটা ঠান্ডা হয়ে আসবে, তখন মিষ্টিগুলো সিরা থেকে তুলে রসে দিয়ে দিন। তারপরে এক যদি পারেন কিছুক্ষন ফ্রিজে রেখে দিন। তৈরি হয়ে যাব তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার রসমালাই। এর ওপরে আপনি কাজু, কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

কালাকান্দ

আপনি কিন্তু এবার কালাকান্দ বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন। যার জন্য আপনাকে লাগবে দুধ, লেবুর রস, চিনি, এলাচ গুঁড়ো, আমন্ড, জাফরান, ঘি। একটি পাত্রে দুধ নিয়ে ভালোভাবে জাল দিতে থাকুন। তারপরে তার ভেতরের লেবুর রস কিংবা ভিনেগার দিয়ে ছানা কাটিয়ে নিন। নিয়ে একটু চিনি দিয়ে ভালোভাবে নেড়েচেড়ে নিতে থাকুন। তারপরে শুকিয়ে অল্প ঘি আর এলাচগুঁড়ো দিয়ে একটি পাত্রে রাখুন। ঠান্ডা হলে সন্দেশের আকার কেটে জাফরান ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। যা স্বাদে কিন্তু অসাধারণ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+