সান্তা-বান্তার মজাদার জোকস
কম্পিউটারের জন্য পর্দা
জানালার পর্দার কাপড় কিনতে সান্তা সিং একটা কাপড়ের দোকানে ঢুকেছে।
অনেক ঘেঁটেঘুঁটে শেষে একটা ঝলমলে গোলাপি রঙের কাপড় পছন্দ হয়েছে তার।
কাপড় কাটার সময় দোকানি বললেন, ‘কয় গজ কাপড় লাগবে আপনার?'
সান্তা ভ্রু কুঁচকে বলল, ‘কয় গজ মানে! পাক্কা পনেরো ইঞ্চি কাপড় কেটে দাও।'
দোকানি চোখ বড় বড় করে বললেন, ‘পনেরো ইঞ্চি মানে! পাগলে পেয়েছে আপনাকে? এই কাপড় দিয়ে কোনো জানালার পর্দা হবে!'
সান্তা একগাল হেসে বলল, ‘আরে মিয়া, এই পর্দা তো আমার কম্পিউটারের জন্য।'
‘কম্পিউটারের জন্য! কম্পিউটারে কেউ পর্দা দেয় নাকি?'
‘কেউ দেয় না, আমি দিই। কারণ আমার কম্পিউটারে ‘উইন্ডোজ' আছে!'

গাড়ির জানালা খোলা
শিলাবৃষ্টিতে নিজের গাড়িটার রফাদফা অবস্থা। জায়গায় জায়গায় ট্যাপ খেয়ে পুরোপুরি ঝাঁঝরা! ঠেলে ঠেলে বিধ্বস্ত গাড়িটাকে মেকানিকের কাছে নিয়ে গিয়েছে সান্তা সিং। কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক করতে বেশ বড় একটা টাকার মামলা। পকেটে অত টাকাও নেই। অগত্যা বাড়িমুখো হয় সান্তা।
বাড়ি গিয়ে একটা লম্বামতো পাইপ গাড়িটার তেল ভরানোর ফোকরে ঢুকিয়ে ফুঁ দিতে শুরু করল সে। উদ্দেশ্য বাতাস দিয়ে গাড়িটার ট্যাপগুলো যদি ঠিক করা যায়। ঘণ্টাখানেক ফুঁ দিয়ে ক্লান্ত সান্তা।
ঠিক সে সময় বান্তা এসে হাজির। সব দেখেটেকে সে বলল, ‘আরে বুদ্ধু, তুই যে বাতাস দিচ্ছিস, তার সবই তো বেরিয়ে যাচ্ছে!'সান্তা তো অবাক! ‘কেমন করে?'
‘কেমন করে আবার, তোর গাড়ির সব কটা জানালাই তো খোলা!'
দোতলায় পেট্রলপাম্প
সান্তা একটা পেট্রলপাম্প খুলে বিশাল লোকসানে পড়েছে।
বান্তা এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কিসের ব্যবসায় নেমেছিলি?'
সান্তা বেজারমুখে বলল, ‘আর বলিস না, পেট্রলপাম্প খুলেছিলাম একটা। একটা দিনও গাড়িঘোড়া নিয়ে এল না কেউ!'
বান্তা তো অবাক। ‘কেন এল না?'
সান্তা কাছের একটা দালান দেখিয়ে বলল, ‘এই যে দালানটা দেখছিস, এটার দোতলায় দিয়েছিলাম পাম্পটা। মনে হয়, আরও ওপরে গেলে ভালো করতাম।'
মিশরে সান্তা ও বান্তা
সান্তা ও বান্তা গিয়েছে মিশরে। মমি দেখে খুবই অবাক তারা-
সান্তা: আরে দোস্ত, দেখেছিস কত্তো ব্যান্ডেজ! আমি নিশ্চিত, এই মানুষটা ট্রাকের নিচে পড়েছিল।
বান্তা: দোস্ত, আমারও তাই মনে হয়। দেখছিস না পাশে ট্রাকের নম্বরটাও আছে-বিসি ১৭৬০!












Click it and Unblock the Notifications