হ্যাংলাকে নিয়ে মজাদার বাংলা জোকস
হ্যাংলাকে নিয়ে মজার বাংলা জোকস যা পড়লে হাসতে হাসতে পেট ফাটার উপক্রম হবে।
মোজার গন্ধ
হ্যাংলার মোজার গন্ধে স্কুলে কেউ টিকতে পারেনা.....
একদিন মাস্টারমশাই রেগে ফায়ার হয়ে বলল, কাল মোজা না পাল্টালে স্কুল থেকে তাড়াবো তোকে।
পরদিন আবার সেই বিটকেল গন্ধ
বস ভিলেন মার্কা হাসিটা মেরে মোজার প্রসঙ্গ তুলতেই হ্যাংলা হাউমাউ করে উঠল, জানতাম স্যার, আমি জানতাম আপনি বিশ্বাস করবেন না যে আমি মোজা পাল্টেছি, এই জন্যেই আমার পুরোন মোজা টাকেও পকেটে নিয়ে এসেছি, এই দেখুন.....

হ্যাংলার সংস্কৃত জ্ঞান
হ্যাংলা এসে জানাল সংস্কৃত পরীক্ষায় মাইনাস দশ পেয়েছে পঞ্চাশের মধ্যে!
বঙ্গানুবাদ করঃ
"অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ।।"
হ্যাংলার অনুবাদ :
তিমি মাছ রান্না করতে গিয়ে কেউ যদি অজ্ঞান হয়ে যায়, তবে জ্ঞান আনার জন্য প্রথমে শলাকা দিয়ে খোঁচা দিতে হবে। তাতেও চোখ না মেললে, মিছরি আর গুড়ের মধ্যে টস করে যেটা বেরোবে তাই দিয়ে ঠাকুর নমো করতে হবে!!
কর্মণ্যেবাধিকারস্যে মা ফলেষু কদাচন
হ্যাংলা উত্তর দিলো-বোধকরি রাধিকা রাস্তায় ফল বেচছে
পণ্ডিতমশাই- মুর্খ। হলো না।আচ্ছা, এবার এটার মানে বল-
বহুনি মে ব্যতিতানি, জন্মানি তব চার্জুন
হ্যাংলা- বৌমার বেশ কয়টি বাচ্চা হয়েছে, সব কটির জন্মই চার জুন
পণ্ডিতমশাই খুব রেগে গিয়ে আবার অর্থ জিগ্যেস করলেন-
তমসো মা জ্যোতির্গময়
হ্যাংলা- তুমি শুয়ে পড়ো মা, আমি জ্যোতির সঙ্গে দেখা করে আসি
পণ্ডিতমশাই (খুব রেগে গিয়ে)- গাধা কোথাকার, পড়াশোনা না করে চরতে যা।আচ্ছা এর মানে বল-
দক্ষিণে লক্ষ্মণোযস্য বামে তু জনকাত্মজা
হ্যাংলা- দক্ষিণে দাঁড়িয়ে লক্ষ্মণ বললো, জনক আজকাল তুই ভালোই মজায় আছিস দেখছি
পণ্ডিতমশাই (গলায় হতাশা)- দেখ এটা বলতে পারিস কিনা-
হে পার্থ, ত্বয়া চাপি মম চাপি...
হ্যাংলা- মহাভারতের যুদ্ধে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বললেন...
পণ্ডিতমশাই (গলায় উত্সাহ)- হ্যাঁ, হ্যাঁ, কি বললেন?
হ্যাংলা- ভগবান বললেন, অর্জুন তুই খেয়ে নে, আমিও চা খেয়ে নি, তারপর যুদ্ধ করবো...!












Click it and Unblock the Notifications