জেলের কাণ্ডকারখাা নিয়ে বেশ কিছু মজাদার বাংলা জোকস
উদ্ধার
এক দোকানে আগুন লেগেছে। এটা দেখে গাবলু চিন্তা করল, দোকানের ভেতর আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে হবে। যেই ভাবা সেই কাজ। গাবলু সোজা আগুন পেরিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে ছয়জনকে বাইরে বের করে আনল। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে গাবলুকে ধরে নিয়ে গেল। পরে তার বন্ধু থানায় গিয়ে পুলিশকে জিজ্ঞেস করল, ‘গাবলু তো আগুন থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে। সে তো কোনো অপরাধ করেনি।'
কথা শুনে পুলিশ রেগে টং, ‘অপরাধ করেনি মানে? সে যাদের দোকান থেকে বাইরে নিয়ে এসেছে, সবাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মী।'

ঘাড় ধরে বের করে দেব
জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।
তাঁর নিজের তো তাই ধারণা
সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে এক পকেটমার জেলগেটে এসেছে। এসে সে বলল, ‘আজ সকালেই তোমার কেসটা লড়তে বিখ্যাত আইনজীবী আজমল সাহেবের সঙ্গে দেখা করলাম। নগদ পাঁচ হাজার টাকা দিতে হলো।'
বন্ধু: টাকাটা কি তিনি পকেটে রাখলেন?
পকেটমার: তাঁর নিজের তো তাই ধারণা।
মরণকালেও ব্যবসায়িক বুদ্ধি
ফাঁসির আসামিকে আগের দিন জেলখানার একজন কর্মচারী কথায় কথায় বললেন, ‘কাল তোমাকে ফাঁসি দিতে সরকারের ৫০০ টাকা খরচ হবে।'
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী আসামি অবাক হয়ে বললেন, ‘এত টাকা কেন?' কারা-কর্মচারী হিসাব দিলেন, জল্লাদ আর তার সহকারীরা পাবে ৩০০ টাকা, ফাঁসির পোশাক বাবদ ১০০ টাকা, দড়ি-ফাঁসির অন্যান্য সরঞ্জামের জন্য আরও ১০০ টাকা।
খরচের বর্ণনা শুনে আসামি ব্যবসায়ীটি খানিকক্ষণ কী যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, ‘এত খরচের দরকার কী? কারা কর্তৃপক্ষ আমাকে ১০০ টাকা দিক, আর দুই টাকা দিয়ে একটা দড়ি কিনে দিক। আমি নিজেই গলায় দড়ি দিয়ে মরি। আমারও কিছু লাভ হবে, সরকারেরও সাশ্রয় হবে।'












Click it and Unblock the Notifications