পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধের ভিডিও ভাইরাল ফেসবুকে। বেঙ্গালুরু হিংসার যোগ, আসল সত্যতা জানুন
পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধের ভিডিও ভাইরাল ফেসবুকে। বেঙ্গালুরু হিংসার যোগ, আসল সত্যতা জানুন
করোবা আবহের মধ্যেই ফের গুজব ফেসবুকে। এবার বেঙ্গালুরু হিংসা নিয়েও ফের উষ্কানিমূলক ভিডিও শেয়ারের চেষ্টা। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ফেসবুকে। ভিডিওটি যারা শেয়ার করেছেন তাদের অনেকেরই দাবি গত ১১ই অগাস্ট বেঙ্গালুরুতে সাম্প্রদায়িক হানাহানির সময়েই এই ভিডিওটি তোলা হয়েছিল।

ভিডিও-র ক্যাপশনে লেখা হয় একাধিক উষ্কানিমূলক মন্তব্য
ওই ভিডিওটির ক্যাপশনে একাধিক উষ্কানিমূলক মন্তব্য লেখা হয় বলে জানা যাচ্ছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে মারুমুখী জনতার একটি দলকে নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যত নাকানি চোবানি খেতে হচ্ছে পুলিশকে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়েও বাগে আনা যাচ্ছে না তাদের একটা বড় অংশকে। সম্প্রতি এই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির ক্যাপাশনে লেখা হয়, " এই মানুষ গুলো নিজেদের কাজ করছে আর হিন্দুরা ঘুমোচ্ছে।"

আসল ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের
যদিও পরবর্তীতে ভিডিওটির সত্যতা যাচাইয়ের পর দেখা যায় এটি পুলিশের সঙ্গে আমজনতার সঘর্ষের একটি ভিডিও, তবে কোনও ভাবেই এটি ব্যাঙ্গালুরুর নয়। সংবাদ সংস্থা এনআইয়ের সূত্র মোতাবেক এই ঘটনাটি আসলে ঘটেছিল গত ১৯শে জুলাই পশ্চিমবঙ্গ। সেই সময় উত্তর দিনাজপুরের কালাগাছে একজন ১৫ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভাইরাল আপলোড করা হয় ভিডিওটি ৩০শে জুলাই
পরবর্তীতে ৩০শে জুলাই ‘এনটিকে বাংলা' নামে একটি পোর্টালের দ্বারা পরবর্তীতে উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধের এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয় বলে জানা যায়। সেটিই বর্তমানে কেউ বেঙ্গালুরু হিংসার ভিডিও বলে ফেসবুকে শেয়ার করে যায়। এবং ১১ই অগাস্ট বেঙ্গালুরুতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর সহজে তা ভাইরাল হয়ে যায় বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

ব্যাঙ্গালুরু হিংসার পিছনে কোন কারণ ?
এদিকে ১১ই অগাস্ট রাতে কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোস্টে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিকে অসম্মান করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। ওই পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পরেই এক ঘণ্টার মধ্যেই শহরের ৩০০টির বেশি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। জারি হয় ১৪৪ ধারা। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালাতে হয় পুলিশকে। সেই গুলিতে তিনজন মারা যান বলে জানা যায়।
প্রতীকী ছবি

Fact Check
দাবি
Video on social media claims visuals of violent clashes are from Bengaluru
সিদ্ধান্ত
The video is not from Bengaluru, but from West Bengal












Click it and Unblock the Notifications