লকডাউনের জন্য বন্ধ ইউপিএসসি পরীক্ষা, মিথ্যা খবর, স্পষ্ট জানালো সরকার
লকডাউনের জন্য বন্ধ ইউপিএসসি পরীক্ষা, মিথ্যা খবর, স্পষ্ট জানালো সরকার
করোনা ভাইরাসের সঙ্কটের পাশাপাশি দেশে আর এক উপদ্রব মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। তা হল গুজব। বিভিন্ন গুজব সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমের মধ্য দিয়ে মানুষের কানে পৌঁছাচ্ছে। যা পুরোটাই মিথ্যা। এ নিয়ে হয়রানি পোহাতে হচ্ছে সরকারকে। সম্প্রতি মারাঠি এক টেলিভিশন চ্যানেল দাবি করেছে যে করোনা ভাইরাস প্রকোপের কারণে এ বছরের ইউপিএসসি পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মিথ্যা খবর, জানিয়েছে সরকার
এই খবরের পরই বহু পরীক্ষার্থী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফোন করতে শুরু করেন। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এই দাবিটি অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দেওয়া হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে কোনও চিন্তা-ভাবনা করেনি। গত ১৫ এপ্রিল কমিশন এই বিষয় নিয়ে বিশেষ বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। সামজিক দুরত্ব সহ লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে সাক্ষাতকার, পরীক্ষা ও নিয়োগ বোর্ডের তারিখ তখনই নির্ধারিত হবে যখন দেশের সমস্ত প্রান্ত থেকে প্রার্থী ও উপদেষ্টারা আসতে পারবে। এ বিষয়ে প্রত্যেক সময়ে আপডেট দিতে থাকবে কমিশন।

পরীক্ষা বা অন্য কোনও বদল জানা যাবে ওয়েবসাইটে
দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ ৩ মে শেষ হওয়ার পরই ২০১৯ সালের সিভিল সার্ভিসের পার্সোনালিটি টেস্ট নেওয়া হবে। সিভিল সার্ভিস ২০২০ (প্রিলিম), ইঞ্জিনিয়ারম সাভিস (মেইন) ও জিওলজিস্ট সার্ভিস (মেইন) পরীক্ষার তারিখ ইতিমধ্যেই ঘোষিত হয়ে গিয়েছে। যদি এই পরীক্ষাগুলির তারিখ কোনওভাবে বদল করা হয় তবে তা ইউপিএসসির ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হবে। কম্বাইনড মেডিক্যাল সার্ভিস পরীক্ষা, ইন্ডিয়ান ইকোনমি সার্ভিস ও ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল সার্ভিসের এ বছরের পরীক্ষার মুলতুবি নোটিস ইতিমধ্যেই ওয়েবসাইটে রয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু পরীক্ষার তারিখও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই সঙ্কটে সরকারকে সাহায্য করবে ইউপিএসসি
ইউপিএসসি পরীক্ষা সহ অন্য পরীক্ষা, সাক্ষাতকার ও নিয়োগ বোর্ড নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে ওয়েবসাইটে। কমিশন করোনার ভাইরাস জনিত মহামারি দ্বারা জাতীয় অর্থনীতিতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পর্যালোচনা করেছে। জাতীয় পর্যায়ে আর্থিক সংস্থান সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে, ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা কমিশনের কাছ থেকে প্রাপ্ত এক বছরের বেসিক বেতনের ৩০%, যা ২০২০ এপ্রিল মাস থেকে কার্যকর হচ্ছে, স্বেচ্ছায় দান করবেন।












Click it and Unblock the Notifications