গান্ধীরা কি গণতন্ত্রের ধারক হয়ে উঠতে পারবেন, অ-গান্ধী কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনই মাপকাঠি

গান্ধীরা কি গণতন্ত্রের ধারক হয়ে উঠতে পারবেন, অ-গান্ধী কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনই মাপকাঠি

এবার গান্ধীরা কেউ প্রার্থী হচ্ছেন না কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে। অর্থাৎ নতুন শতাব্দীতে প্রথম অ-গান্ধী সভাপতি পেতে চলেছে কংগ্রেস। কিন্তু কংগ্রেস কি পারবে অ-গান্ধী এই সভাপতি নির্বাচনে গণতন্ত্রের ধারক হয়ে উঠতে? উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ। তার আগে সেই সম্ভাবনা নিয়ে দু-চার কথা। দু-চার কথা গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের হাল-হকিকৎ নিয়ে।

সর্বজনীন ঘোষণা চাই, কোনও লবি করবেন না গান্ধীরা

সর্বজনীন ঘোষণা চাই, কোনও লবি করবেন না গান্ধীরা

সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যখন প্রার্থী হচ্ছেন না কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে, তখন তাঁদের কাছে কী আশা করছে দেশের রাজনৈতিক মহল? রাজনৈতিক মহল তাঁদের কাছে আশা করছে, একটি সর্বজনীন ঘোষণা যে, তাঁরা কারও জন্য লবি করবে না। কাউকে নিজেদের প্রার্থী বলে জাহির করবে না। নির্বাচনটিকে আক্ষরিক অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক রূপ দেবে। কখনও মনেোনীত প্রার্থী হিসেবে কাউকে ইঙ্গিত করবে না।

কে গান্ধী শিবিরের প্রতিনিধি, কে নয়- সে লড়াই চাই না

কে গান্ধী শিবিরের প্রতিনিধি, কে নয়- সে লড়াই চাই না

দেশ চাইছে, কংগ্রেস দলের প্রতিনিধিদের তাঁদের সিদ্ধান্ত ও বিচক্ষণতা ব্যবহার করে সেরা ব্যক্তিকে বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিক। প্রতিনিধিরা বেছে নিন, কারা দলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এই মুহূর্তে যোগ্যতর। কে গান্ধী শিবিরের প্রতিনিধিত্ব করবেন, আর কে বিরোধী শিবিরের সেই লড়াই থেকে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে অন্য উচ্চতায় উঠুক চাইছে আপামর দেশবাসী।

কতটা গণতান্ত্রিক রূপ নিতে পারে সভাপতি নির্বাচন, সেই আশায়

কতটা গণতান্ত্রিক রূপ নিতে পারে সভাপতি নির্বাচন, সেই আশায়

গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিতে গান্ধী পরিবারের প্রতিনিধি কে, আধুনিকতার প্রতিনিধিত্ব করছেন কে তা থেকে সরে এসে এবার লড়াই হোক প্রকৃত। প্রতিফলিত হোক সঠিক মত। ৩০ সেপ্টেম্বর পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে এবার লড়াই কাদের মধ্যে। মল্লিকার্জুন খাগড়ে বনাম শশী থারুর লড়াই আসন্ন। এই লড়াই কতটা গণতান্ত্রিক রূপ নিতে পারে, তা দেখার আশায় রয়েছে দেশ।

কংগ্রেস জাতীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তিতে প্রতিভাত হতে পারে

কংগ্রেস জাতীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তিতে প্রতিভাত হতে পারে

অ-গান্ধী সভাপতি নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া মসৃণরূপে হবে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হবে, এই আশা প্রতিটি কংগ্রেসপ্রেমীর হৃদয়ে রয়েছে। কেননা এই নির্বাচনের পর কংগ্রেসে পালাবদলের পথ তৈরি হতে পারে। এই নির্বাচনের পর কংগ্রেসের নতুন সভাপতির নেতৃত্বে ২০২৪-এর রূপরেখা তৈরি হবে। আবার কংগ্রেস জাতীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তিতে প্রতিভাত হতে পারে নতুন নেতৃত্বের স্পর্শে।

কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনের লড়াইয়ে বিতর্ক দমনে কঠোক সোনিয়া

কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনের লড়াইয়ে বিতর্ক দমনে কঠোক সোনিয়া

কংগ্রেসের এই সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের যে নমুনা এখন পর্যন্ত সামনে এসেছে, তাতে কোথাও গণতন্ত্রের ছিঁটেফোটাও দেখা যায়নি। অশোক গেহলটকে দলের সভাপতি পদে মনোনীত করা থেকে শুরু করে তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্ব রক্ষায় যে তাগিদ সামনে এসেছে, তা কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনের লড়াইকে বিতর্কিত করে তুলেছিল। তারপর কংগ্রেসের বর্তমান সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। সেই বিতর্ক শক্তহাতে দমন করেছেন।

গান্ধী-লবি মুক্ত নির্বাচন হবে কংগ্রেসের? অসম্ভব নয় কঠিন

গান্ধী-লবি মুক্ত নির্বাচন হবে কংগ্রেসের? অসম্ভব নয় কঠিন

এরপর যে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন হয়েছে, তাঁদের মধ্যে লড়াইকে গণতান্ত্রিক রূপ দিতে হবে। সেখানে গান্ধীদের কোনও লবি থাকবে না। গান্ধী-লবি মুক্ত নির্বাচন হবে কংগ্রেসের। আবার একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাবে। ২০০০ সালে কংগ্রেসের শে, নির্বাচনে ভোটের নামে যে প্রহসন হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি যেন না হয় এবার। উল্লেখ্য, সোনিয়া গান্ধী সেবার ৯৯ শতাংশ ভোট পেয়ে সভানেত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+