Vande Bharat Express Train: দিল্লি থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত সোজা ছুটবে না বন্দে ভারত! বড় আপডেট দিল রেল
Vande Bharat Express Train: ইতিহাসের মুখোমুখি ভারত! দেশের রেল ব্যবস্থার সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে কাশ্মীর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। আগামী ১৯ এপ্রিল কাটরা স্টেশন থেকে ছুটবে বন্দে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নয়া এই ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। কাশ্মীরজুড়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রজেন্টের প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন হবে এটি। দ্বিতীয় পর্যায়ে নয়া দিল্লি থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত ছুটবে ভারতের মাটিতে তৈরি প্রথম 'দেশি বুলেট'।
যা আগামী অগাস্ট কিংবা সেপ্টেম্বর মাস থেকে চালু হতে পারে বলে খবর। ফলে কোনও ট্রেনই (Vande Bharat Express Train) এখন সরাসরি নয়া দিল্লি থেকে শ্রীনগর যাবে না বলেই 'ভাস্করে' প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। আর এই খবরেই মন খারাপ পর্যটকদের।

নর্দান রেলওয়ের শীর্ষ এক আধিকারিক ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নয়া দিল্লি থেকে শ্রীনগর পর্যন্তই টিকিট কাটার সুযোগ থাকবে। কিন্তু যাত্রীদের কাটরা স্টেশন পৌঁছানোর পর অন্য ট্রেন ধরতে হবে। সেখানে প্রথমে সিকিউরিটি চেক করা হবে। আর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে। আর সেই কারণেই কাটরা থেকে অন্য ট্রেনে কাশ্মীর পৌঁছে দেওয়া হবে যাত্রীদের। আর এই সফর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হবে বলেই খবর।
Vande Bharat Express Train: কীভাবে হবে সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রক্রিয়া
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গোটা প্রক্রিয়াটাই হবে স্টেশনের বাইরে। প্ল্যাটফর্মে নামার পর যাত্রীদের বের হতে হবে। তারপর লাউঞ্জে নিরাপত্তা চেক, আইডি ভেরিফিকেশন এবং লাগেজ স্ক্যানিং হবে। এ জন্য তিন থেকে ছয়টি স্ক্যানার অর্ডার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। চেক করার পর যাত্রীদের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে ফিরতে হবে। এখান থেকে দ্বিতীয় ট্রেনটি ছেড়ে যাবে শ্রীনগরের উদ্দেশ্যে।
Vande Bharat Express Train: দুই ট্রেনের টাইমিং সেভাবে হবে
ওই আধিকারিক 'ভাস্কর'কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দুই ট্রেনের সময়সীমা এভাবেই তৈরি করা হবে। দু থেকে তিন ঘণ্টা ফারাক থাকবে। ফলে যাত্রীদের ট্রেন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা থাকবে না বলেই দাবি রেল আধিকারিকদের।
Vande Bharat Express Train: পরিবেশ এবং সুরক্ষা বড় চ্যালেঞ্জ
রেল আধিকারিকরা বলছেন, কাটরা থেকে সুরক্ষা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করা হচ্ছে দুটি বিষয়কে মাথায় রেখে। প্রথম- শ্রীনগর থেকে কাশ্মীর যাত্রা হবে অনেকটাই দীর্ঘ। সমতল থেকে ধীরে ধীরে পাহাড়ি এলাকায় প্রবেশ করা। এতে তাপমাত্রায় অনেক পার্থক্য থাকবে। হঠাত করে কোনও যাত্রীর শারীরিক সমস্যা না হয়। দ্বিতীয়ত শ্রীনগরের জথষ্ট স্পর্শকাতর একটি এলাকা। ফলে নিরাপত্তায় যাতে কোনও গাফিলতি না থাকে সেজন্যেই এই ব্যবস্থা বলে মত আধিকারিকদের।












Click it and Unblock the Notifications