করের বোঝা কমাতে বিনিয়োগ! এমন কিছু উপায় রয়েছে, সেখানে সুদের হার আট শতাংশের ওপরে, আয়ও কর মুক্ত
২০২৩-২৪ আর্থিক বছর শেষের পথে। এই মুহূর্তে করদাতাদের অগ্রাধিকার হল করের বোঝা কমানো। আর এমন জায়গায় বিনিয়োগ করা যেখানে বেশি হারে সুদ পাওয়া যায় এবং যা আয়কর আইনের ৮০ সি ধারায় কর ছাড় রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে এমন কয়েকটি জায়গায় বিনিয়োগের উপায় রয়েছে, যেখানে সুদের হার আচ শতাংশ বা তার থেকে বেশি।
সাধারণভাবে যেসব জায়গায় বিনিয়োগ ৮০সি আধার অধীনে ছাড় পাওয়া যায়, তার মধ্যে রয়েছে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড, ট্যাক্স সেভিংস ফিক্সড ডিপোজিট, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম এবং ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট। এইসব জায়গাগুলিতে যেমন বেশি সুদ পাওয়া যায়, ঠিক তেমনই রিটার্নও নিশ্চিত। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ন্যাশনাল পেনশন স্কিম ও ইক্যুইটি লিঙ্কড সেভিংস স্কিমে বিনিয়োগেও কর ছাড় পাওয়া যায়।

সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা বা এসএসওয়াই-এ বর্তমানে সুদের হার ৮.১ শতাংশ। বালিকাদের জন্য এই অ্যাকাউন্ট খোলা হলেও, তাদের সাবালক প্রাপ্তি পর্যন্ত এই অ্যাকাউন্ট চালু রাখতে হয়। প্রতি বছরে ন্যূনতম ২৫০ টাকা থেকে ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়।
এসসিএসএস বা সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম প্রবীন নাগরিকদের জন্য চালু করা বিনিয়োগ প্রকল্প। ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সের বেশি বয়সের নাগরিকরা এবং ভিআইএসের অধীনে অবসরপ্রাপ্তরা ৫৫ বছর বয়সে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারে। এই প্রকল্পে সুদের হার বর্তমানে ৮.২ শতাংশ। এই স্কিমে সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ত্রিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। এখান থেকে পাওয়া সুদ করযোগ্য হলেও, প্রবীণ নাগরিকদের প্রাপ্ত সুদ আর্থিক বছরে যদি ৫০ হাজার টাকার কম হয়, তাহলে কোনও কর দিতে হয় না।
রয়েছে এলআইসির পেনশন প্লাস স্কিম(৮৬৭)। সেখানে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা করে পাঁচ বছর কিংবা একবারে ন্যূনতম একলক্ষ টাকা বিনিয়োগ করা যায়। সুদের হার এখানে ৮ শতাংশের আশপাশে। ২৫ থেকে ৭৫ বছর বয়সীরা এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারেন।
পিপিএফ বা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে বিনিয়োগ সম্পূর্ণ রূপে কর মুক্ত। বর্তমানে সেখানে সুদের হার ৭.১ শতাংশ। বছরে সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটেও নিশ্চিত আয় থাকলেও, সেখানে সুদের হার কিছুটা কম।












Click it and Unblock the Notifications