সুখবর! এবার ATM- এ মিলবে ১০, ২০ এবং ৫০ টাকার নোট ও কয়েন, কবে থেকে? কী ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার?
হঠাৎ করে বাজারে কিছু কিনতে গিয়েছেন, কিন্তু খুচরোর অভাবে সমস্যায় পড়েননি, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। এটিএমে গেলেও বেশিরভাগ সময় ১০০, ২০০ অথবা ৫০০ টাকার নোটই পাওয়া যায়। যে কারণে ছোট অঙ্কের লেনদেনের জন্য সাধারণ মানুষকে প্রায় প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। আর এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানের জন্য এবার নতুন ভাবনায় এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে, খুব তাড়াতাড়ি দেশে চালু হতে পারে বিশেষ 'হাইব্রিড এটিএম'। যেখানে ১০, ২০ এবং ৫০ টাকার নোট এবং কয়েন সহজে তোলা যাবে।

কেন এই নতুন উদ্যোগ?
যদিও ডিজিটাল পেমেন্ট ধীরে ধীরে বাড়ছে, তবুও বাস্তবে এখনও অনেক জায়গায় নগদ লেনদেনই বেশি চলে। বহু ছোট দোকান, বাজার অথবা স্থানীয় পরিষেবায় এখনও UPI বা কার্ড পেমেন্টের কোন সুবিধা নেই। আবার দেশের একটা বড় অংশের মানুষ এখনও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ নন।
এই কারণেই বাজারে ছোট নোটের চাহিদা থাকলেও ১০ এবং ২০ টাকার নোট পাওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে।
কী সুবিধা থাকবে এই হাইব্রিড এটিএমে?
নতুন এই এটিএম থেকে,
- ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নোট এবং কয়েন তোলা যাবে।
- বড় নোট ভেঙে খুচরো নেওয়ার সুবিধা থাকবে।
- ছোট অঙ্কের নগদ লেনদেন অনেক সহজ হবে।
সূত্রের খবর অনুসারে, এই ধরনের এটিএম বসানো হতে পারে ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়। যেমন বাজার এলাকা, হাসপাতাল, বাণিজ্যিক অঞ্চল, রেলস্টেশন এবং বাসস্ট্যান্ডের কাছে।
কোন শহরে শুরু হতে পারে?
সরকারি সূত্রের দাবি যে, প্রথম পর্যায়ে কলকাতার মতো বড় শহরে পরীক্ষামূলকভাবে এই হাইব্রিড এটিএম বসানোর পরিকল্পনা চলছে। যেখানে খুচরোর চাহিদা সবথেকে বেশি।
জানা গিয়েছে যে, মুম্বইয়ে এই বিশেষ এটিএম নিয়ে একটি পাইলট প্রজেক্ট ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। সেখানে সাধারণ মানুষ কতটা এই পরিষেবা ব্যবহার করছেন এবং আদৌ এর চাহিদা ঠিক কতটা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডিজিটাল ইন্ডিয়ার ওপর জোর থাকলেও, খুচরো সমস্যার বাস্তব ছবি মাথায় রেখেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। যদি এই ব্যবস্থা সফল হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে অনেক বড় স্বস্তি আসতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications