Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

১৪ বছরে ১০ লক্ষ গাড়ি! সিঙ্গুর থেকে সরতে বাধ্য হওয়া টাটার জন্যই ক্রমোন্নতি সানন্দের, এবার আরও বড় ঘোষণা

Tata Motors Sanand Plant: সিঙ্গুরে যেখানে টাটাদের কারখানা হওয়ার কথা ছিল সেটা দেখলে এখন মনে হয় শ্মশান। সিঙ্গুর থেকে সরে টানা সানন্দে কারখানা গড়েছিল ২০১০ সালে।

১৪ বছরে এই কারখানা এক নয়া মাইলস্টোন গড়ে ফেলল। কারখানা থেকে ১০ লক্ষ গাড়ি সরবরাহ করে। এবার আরও বড় পরিকল্পনার কথাও জানাল কর্তৃপক্ষ।

Tata Motors Sanand Plant

লোকসভা নির্বাচনেও বাংলায় ইস্যু হবে সিঙ্গুরের কারখানা। রাজনৈতিক আন্দোলনের জেরে সৃষ্ট জটিলতায় সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি করার কাজ শুরু করেও পিছু হঠেছিল টাটা মোটরস। রতন টাটা তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে। বিরোধীদের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে জমি ফিরলেও সিঙ্গুরে শিল্প হয়নি, কৃষিও হয়নি। হয়েছে ছবি তোলা!

সিঙ্গুর আন্দোলন, টাটাদের সিঙ্গুর থেকে তাড়ানোর কথা তুলে রাজ্যের শাসক দলকে হামেশাই নিশানা করে বিরোধী দলগুলি। লোকসভা ভোটেও হবে। টাটার ন্যানো গাড়ি প্রকল্প সেভাবে হিট না করার যুক্তি সাজায় তৃণমূল কংগ্রেসও। কিন্তু জানেন কি, ন্যানো তৈরির লক্ষ্যে সৃষ্ট কারখানা এখন কতটা বিস্তারলাভ করেছে?

এখানে ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করছে টাটা। ১১০০ একর জমিতে রয়েছে ৩৬০ একর ভেন্ডর পার্ক। টাটা মোটরস যত গাড়ি তৈরি করে তার ২০ শতাংশ এই কারখানাতেই তৈরি হয়। টাটা মোটরসের আধিকারিক শৈলেশ চন্দ্র জানিয়েছেন, ১৪ বছরে ১০ লক্ষ গাড়ি তৈরির মাইলস্টোন স্পর্শ করলাম। ২০১০-এর জানুয়ারিতে এই কারখানা তৈরি করার সময় যে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি ছিল সেই নিরিখে এই মাইলস্টোন গুরুত্বপূর্ণ।

সানন্দ-১ কারখানায় সিএনজি, পেট্রোল, ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেন (গাড়ি তৈরির অভ্যন্তরীণ সরঞ্জাম ও কাঠামো) যেমন তৈরি হয়, তেমনই এখানেই প্রথম গ্যাসচালিত গাড়ির পাশাপাশি ইলেকট্রিক গাড়িও তৈরি করা শুরু হয়। পাওয়ারট্রেনের ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক ও পেট্রোলচালিত গাড়ির ৪০ শতাংশ করে ও সিএনজি গাড়ির ২০ শতাংশ তৈরি হয় এখানে।

সবমিলিয়ে একটি গাড়ি তৈরিতে যা লাগে সবই তৈরি হয় এই কারখানায়। এই কারখানার ইনস্টলড ক্যাপাসিটি ২০১০ সালে যেখানে ছিল ১.৩৫ লক্ষ তা এখন বেড়ে ১.৯০ লক্ষ। ডিজেল গাড়ি তৈরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে এখান থেকেই ইলেকট্রিক গাড়ি প্রথম বাজারে এনেছিল টাটা মোটরস, সেটা ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে।

এই কারখানায় অচিরাচরিত শক্তির ব্যবহার বর্তমানে ৫০ শতাংশ। অপারেশন গ্রিনের লক্ষ্যে ১০০ শতাংশে আগামী তিন বছরে পৌঁছে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। টাটা মোটরসের এই কারখানা বদলে দিয়েছে সানন্দের আর্থ-সামাজিক চিত্র। কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বা সিএসআরের মাধ্যমে হয়েছে প্রভূত কাজ।

সিএসআর প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৮টি গ্রামে নানাবিধ উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। শৌচাগার নির্মাণ, মহিলাদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ, কন্যাসন্তানদের শিক্ষা-সহ নানা বন্দোবস্ত করা হয়েছে। বড় গাড়ির চাহিদা বাড়ছে। সেই গাড়ি তৈরির উপযুক্ত করে তুলতে কারখানাটির পরিকাঠামো আরও উন্নত করা হচ্ছে। গাড়ির সুরক্ষা বন্দোবস্ত ও ইলেকট্রিক কার- এই দুইয়ের নিরিখে আন্তর্জাতিক বাজার ধরার বিষয়েও টাটা মোটরস অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বলে সংস্থার দাবি। সানন্দে এমন ব্যবস্থাপনা রাখা হচ্ছে যাতে ছোট থেকে বড় নানা ধরনের পছন্দসই গাড়িই বেছে নিতে পারবেন ক্রেতারা। সরকারি স্তরেও প্রচুর গাড়ির অর্ডার অনুযায়ী সরবরাহ করা হচ্ছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+