Electric Bike: ১৮ দিনেই ইলেকট্রিক বাইক বানিয়ে চমক রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়ার! অ্যাপেই হবে স্টার্ট, ছুটবে ১৫০ কিমি
Electric Bike: অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। এমনই আশ্চর্য সব ফিচার দিয়ে একটি ইলেকট্রিক বাইক তৈরি করে সবাইকে চমকে দিয়েছে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের আইটিআই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রনি দত্ত। আসানসোলের ধাদকা এলাকার বাসিন্দা রনি দত্ত। রামকৃষ্ণ মিশনের আইটিআই কলেজের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রনি।
স্কুলের একটি প্রজেক্ট ছিল ফেব্রুয়ারি মাসে। আর সেই প্রজেক্ট প্রদর্শনীতেই রনি ঠিক করে ফেলে সে একটি বাইক (Electric Bike) বানাবে। হাতে বড়জোর ২৫ থেকে ৩০ দিন সময়। আর তার মধ্যেই রনি একাই নিজে বানিয়ে ফেলে একটি ইলেকট্রিক বাইক।

রনি জানিয়েছে, সে ১৮ দিন ঠিক করে ঘুমোতে পারেনি এই বাইক বানানোর জন্য। বাইকের ইঞ্জিন থেকে শুরু করে বডি সমস্তটাই নিজের হাতে বানিয়েছেন। বর্তমানে নিজের তৈরি বাইক "রনিক্স" নিয়েই আসানসোল শহর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সে নিজেই। আর তা দেখে একেবারে অবাক সে জেলার মানুষ।
Electric Bike: বাইকের কোনও চাবি নেই -
রনি দত্ত জানিয়েছেন, এই বাইকের কোনো চাবি নেই। বাইকে থাকছে টাচ স্ক্রিন দেওয়া একটি ডিসপ্লে। মোবাইল থেকেই বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে এই বাইক চালু করা সম্ভব এবং বন্ধ হবে। শুধু তাই নয়, বাইকে লাগানো ডিসপ্লেতে থাকছে ফেস ডিটেকটর অর্থাৎ বাইকের মালিক ছাড়া কেউ অন্য কেউ এই বাইক স্টার্ট করতেই পারবে না। ডিসপ্লে বোর্ডে থাকছে লোকেশন দেখার সুযোগ। গুগল ম্যাপ থেকে শুরু করে অন্যান্য লোকেশন অ্যাপ সহজেই সেখানে মোবাইল কানেক্টিভিটিতে সরাসরি দেখা যায়।
এছাড়াও বিভিন্ন লোকেশনের আবহাওয়া ও অন্যান্য ফিচার এআই (AI) অ্যাপ দ্বারা বাইকে বসেই দেখা সম্ভব। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড ৭০ কিলোমিটার। বাইকটি একবার চার্জ করলে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে। এই বাইকটি ফুল চার্জ করতে সময় লাগবে দু ঘন্টা ৪০ মিনিট।
Electric Bike:চমকপ্রদ ফিচার
শুধু তাই নয় এই বাইকে রয়েছে আরও একটি চমকপ্রদ ফিচার। এই বাইকটিকে ঢালু রাস্তায় গড়িয়ে দিলে কিংবা পাহাড় বা উঁচু জায়গা থেকে নামার সময় এই বাইকটির পিছনের চাকা ঘুরলেই তাতে ডায়নামো এবং অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাইকটি অটোমেটিক্যালি চার্জ হয়ে যাবে।
এমনিতে ফেস ডিটেকশন ছাড়া এই বাইক স্টার্ট হবে না বলেই রনি দত্ত জানিয়েছেন। কিন্তু তারপরেও যদি কেউ এই বাইক স্টার্ট করে ফেলে সেক্ষেত্রে বাইকের মালিকের রেজিস্টার্ড মোবাইলে নোটিফিকেশন চলে আসবে।
শুধু তাই নয়, বাইকের সামনে পিছনে এবং ডিসপ্লে বোর্ডের সঙ্গে রয়েছে ক্যামেরা। অর্থাৎ যিনি বাইকটি চালাচ্ছেন তার মুখের ছবি মোবাইলে চলে আসবে, সঙ্গে বাইকটির লোকেশন এবং সামনের ও পিছনের স্থানের ছবি মোবাইলে পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে দেখা যাবে।
কিন্তু এখানেই শেষ কথা নয়, শুধু চোরের ছবি বা লোকেশন জানা নয়, পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে মোবাইলের সাহায্যে এই বাইকের পেছনের চাকাটির হুইলজ্যাম করে দেওয়া যাবে। অর্থাৎ চোর ঠেলেও এই বাইকটিকে নিয়ে যেতে পারবে না।
রয়েছে আরও একটি দুর্দান্ত ফিচার। এই বাইকটিকে নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে বেঁধে রাখা যাবে। বাইকটি সেই গণ্ডির বাইরে বেরোলেই বাইকের মালিকের কাছে নোটিফিকেশন আসার পাশাপাশি বাইকটি অটোমেটিক্যালি বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু তাই নয় মোবাইল থেকে চোরকে সাবধান করতে ভয়েস মেসেজও পাঠানো যাবে।












Click it and Unblock the Notifications