শুধু টম্যাটোই নয়, অন্য যেসব সবজির দাম রান্নাঘরের বাজেটকে আকাশছোঁয়া করেছে
কিছুদিন ধরে টম্যাটোর দাম আকাশছোঁয়া। কার্যত টম্যাটো অন্য সবজির দামকে ঢেকে রেথেছে। কিন্তু দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ উত্তরাখণ্ডে বর্ষণ ও বন্যাজনিত কারণে রান্নাঘরের বাজেটের দফারফা অবস্থা। আদা থেকে ধনেপাতা, ক্যাপসিকামের মতো সবজির দাম টম্যাটোর থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই।
একটা সময়ে টম্যাটোর দাম পৌঁছে গিয়েছিল আড়াইশো টাকা কেজিতে। সরকার তা কমিয়ে আনার চেষ্টা করলেন, তা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। দিল্লির আশপাশের বন্যা বিধ্বস্ত এলসাকায় টম্যাটো বিক্রি হচ্ছে কেজি পিছথু ১৬০ টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি দামে। রান্নাঘরের বাজেট শুধু এখানেই বাড়েনি। আদা, রসুন, ধনেপাতা, ক্যাপসিকাম, কাঁচা লঙ্কার দামও আকাশছোঁয়া।

জুনে যেখানে আদার কেজি ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, এখন তা আড়াইশো থেকে তিনশো টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। জুনে রসুনের কেজি যেখানে ছিস ৭০-৮০ টাকা, সেখানে এখন তা বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। জুনে ক্যাপসিকাম বিক্রি হয়েছে কেজি পিছু ২৪ থেকে ৫০ টাকা, তা বর্তমানে বিত্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজিতে।
কাঁচা লঙ্কা জুন মাসে বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে, এখন তা কেজি পিছু বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। জুন মাসে লাউ বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা কেজিতে। জিরার দাম কেজি পিছু ৭০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

মাস দুই আগে পর্যন্ত প্রতিবাক্স আপেল বিক্রি হয়েছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। এখন তা বেড়ে হয়েছে ২২০০ টাকায়। রাস্তার বিক্রেতারা প্রতি কেজি বিক্রি করছেন ২৫০-৩০০ টাকায়। বেশিরভাগ রাজ্যেই সবজির দাম আকাশ ছোঁয়া। দোকানদাররা এই দাম বৃদ্ধির পিছনে বৃষ্টিকেই দায়ী করছেন। এছাড়াও রাস্তায় পরিবহণ কম হওয়ায় খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি হয়েছে বলেও দাবি করছেন দোকানিরা।












Click it and Unblock the Notifications