Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Dragon Fruit Farming: 'সুগার' রোগীদের জন্য মহৌষধ! বাঁকুড়াতে এই ফল চাষ করে লাখে রোজগার করছেন এই যুবক

Dragon Fruit Farming: জঙ্গল মহল (Bankura. Jangal Mahal) মানেই রুখা-শুখা লাল মাটি! আর সেখানেই বিকল্প চাষের সন্ধানে নেমে ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেন আদিবাসী যুবক সত্যেন্দ্রনাথ মুর্ম্মু। আর তাতে যে এত সাফল্য পাবেন তা কল্পনাতেও ভাবতে পারেননি। শুধু তাই নয়, এই চাষ করে আয়ের দিশা খুঁজে পেয়েছেন বাঁকুড়ার রাইপুরের কীর্তনডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এই যুবক।

আর এখন তাই নিজে নয়, রুখা-শুখা লাল মাটিতে অন্যকেও এই ড্রাগন ফল চাষ (Dragon Fruit Farming) করার পরামর্শ দিচ্ছেন সত্যেন্দ্র। আর তা করে এখন অনেক যুবকই সে জেলায় আয়ের পথ খুঁজে নিচ্ছেন। ধীরে ধীরে কর্মসংস্থানে বাড়ছে চ্যালেঞ্জ। ছোট হচ্ছে পরিধি। এই অবস্থায় অনেকেই বিকল্পের খোঁজ করছেন। আয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পথকে বেছে নিচ্ছেন যুবক=যুবতীরা।

Dragon Fruit Farming

তবে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা এখন অনেকেই বিকল্প চাষ করে মোটা অঙ্কের রোজগার করছেন। একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে তেমন তেমনই বিভিন্ন ধরনের চাষও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর তেমনই একজন সত্যেন্দ্রনাথ মুর্ম্মু।

নিজের জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ প্রথম শুরু করে আদিবাসী যুবক সত্যেন্দ্রনাথ। প্রথম বছরই লাভের মুখ দেগেছেন, এবার সেই লাভের পরিমান আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী বলে জানান।

ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সত্যেন্দ্রনাথ মুর্ম্মু বলেন, পাশের গ্রামের এক চাষির কাছ থেকে প্রথম এই চাষ বিষয়ে জানতে পারি, বাকিটা ইউটিউব দেখেই চাষ এবং অন্যান্য বিষয়ে শিখে নেওয়া! আর তাতেই 'লাভ' হাতের মুঠোয় বলছেন ওই যুবক।

জানা যায়, প্রথমে ৮৭ টি খুঁটিতে ৫ টি করে চারা রোপন করেন সত্যেন্দ্র। সেই হিসেবে ৪৫০-র বেশি গাছ এখন তাঁর রয়েছে। আর এই কাজ করতে তাঁর খরচও হয়েছিল প্রায় ৮০ হাজার টাকা। তবে বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় প্রথম বছরেই ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেন বলে জানিয়েছেন বাঁকুড়ার রাইপুরের কীর্তনডাঙ্গা গ্রামের এই বাসিন্দা। তাঁর আশা, এবার টাকার অঙ্ক প্রায় লাখ ছুঁয়ে ফেলবে।

একই সঙ্গে সত্যেন্দ্রনাথ মুর্ম্মু বলেন, এই চাষে সেভাবে খরচ নেই। মূলত জৈব সারেই চাষ হয়। প্রথম অবস্থায় পোকা ও পরে পিঁপড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে সামান্য কীটনাশক প্রয়োগ করলেই চলে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত সেচের প্রয়োজন নেই। জল দাঁড়ায় না এমন জায়গাতেই এই চাষ ভালো হয়। বাঁকুড়ার এই ড্রাগন চাষী সত্যেন্দ্রনাথের কথায়, এই ফলের ব্যাপক ঔষধি গুণ রয়েছে। বিশেষ করে 'সুগার' রোগীদের কাছে এই ড্রাগন গাছের ফল মহৌষধির কাজ করে। এক সুগারাক্রান্ত বন্ধুকে এই ফল খাইয়ে তিনি তা প্রমাণ পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+