পিএম কিষাণের পরে কৃষকদের জন্য বড় উপহার, ঘোষণা কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর
কৃষকদের আর্থিক ক্ষমতা বাড়াতে এবং তাঁদের আয় দ্বিগুণ করতে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি সরকারের সব থেকে বড় প্রকল্প। নরেন্দ্র মোদী জমানায় শুরু হওয়া এই প্রকল্পের অধীনে কৃষকদের বার্ষিক ছয় হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
এবার মোদী সরকার কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে এবং তাদেরকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতে আরও একটি উদ্যোগ নিয়েছে।

- কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন, সরকার কৃষকদের কৃষি সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক তথ্য দিতে একটি মাসিক রেডিও প্রোগ্রাম কিষাণ সে বাত শুরু করতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাত থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই অনুষ্ঠান শুরু করা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হল মন্ত্রী, কৃষি বিজ্ঞানী ও মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে কৃষকদের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেওয়া।
- কী বলছেন কৃষিমন্ত্রী
কৃষকদের কাছে দ্রুত বৈজ্ঞানিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরে জোর দিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, কৃষকদের প্রায়ই তথ্যের অভাব থাকে। যে কারণে তাঁরা কীটনাশকের বেশি ব্যবহার করে থাকেন। সেদিকে আমাদের নজর দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন আগেকার সরকারগুলি স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কৃষকদের আমন্ত্রণ জানাত না, যা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। অনুষ্ঠানে কৃষি প্রতিমন্ত্রী রামনাথ ঠাকুর ও ভগীরথ চৌধুরীর পাশাপাশি আইসিএআরের শীর্ষ কর্তাওহাজির ছিলেন।
- কার্যক্রম শুরু সেপ্টেম্বর থেকে
এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠানের এক সপ্তাহ আগে তা শুরু হতে পারে। কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সেখানে চাষের বিভিন্ন দিকে নিয়ে আলোচনা করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভাল চাষ পদ্ধতি, নতুন প্রযুক্তি ও উৎপাদন বাড়ানোর নতুন উপায়।
- সরকারের লক্ষ্য
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হল ভারতকে বিশ্বের খাদ্য ঝুড়িতে পরিণত করা। সেই কারণে কিষাণ সে বাত ভারতের কৃষি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান কৃষকদের চাহিদার সঙ্গে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলিকে একীভূত করা ও কৃষি কর্মীদের মধ্যে আলোচনার প্রচারের গুরুত্বের ওপরে জোর দেন। পাশাপাসি তিনি জাতীয় কীটপতঙ্গ নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেন।












Click it and Unblock the Notifications