কোজাগরী পূর্ণিমায় ‘দুই দেবতা'র আশীর্বাদ! লক্ষ্মী পূজার সঙ্গে শিব আরাধনায় বদলে যেতে পারে ভাগ্য
এবারের কোজাগরী পূর্ণিমা সোমবারে পড়েছে অর্থাৎ একসঙ্গে দুই মহাশক্তির আশীর্বাদ লাভের বিরল সুযোগ। এই দিন একদিকে মা লক্ষ্মীর আরাধনায় ঘরে আসছেন সম্পদ ও ঐশ্বর্যের দেবী, অন্যদিকে সোমবার হওয়ায় মহাদেবের পূজাও বিশেষ শুভ বলে মনে করা হচ্ছে। তাই এই দিনে শিব ও লক্ষ্মী দুই দেবতারই আরাধনা করলে জীবনে সৌভাগ্য, শান্তি ও সাফল্য ধরা দিতে পারে বলে বিশ্বাস করেন পুরোহিতরা।

পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, ভোলানাথ অতি তুষ্টপ্রকৃতি। তাঁকে খুশি করতে জাঁকজমক নয়, প্রয়োজন শুধু ভক্তি ও সরলতা। তাই কোজাগরী পূর্ণিমায় মা লক্ষ্মীর পুজোর পাশাপাশি শিবলিঙ্গে অর্পণ করুন কিছু সাধারণ উপাদান, যা নাকি বদলে দিতে পারে ভাগ্যের দিকচক্র।
সকালে স্নান করে শুদ্ধ মনে জল দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করুন। এর পর কেশর নিবেদন করে মহাদেবের মন্ত্র জপ করুন। কর্মজীবন ও সামাজিক জীবনে সম্মান ও স্বীকৃতি বৃদ্ধি পাবে।
আর্থিক সংকট কাটাতে এই দিন শিবলিঙ্গে আখের রস অর্পণ করুন। বিশ্বাস, অর্থকষ্ট থেকে মুক্তি মিলবে এবং নতুন আয়ের পথ খুলে যাবে।
বেলপাতা মহাদেবের প্রিয়। তাই বেলপাতা নিবেদন করে শিবের নাম জপ করলে গৃহস্থ জীবনে শান্তি ও স্থিতি আসে। অযাচিত ঝামেলা ও মানসিক উদ্বেগ থেকেও মুক্তি মেলে।
যে কোনও কাজে সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে দুধ, দই ও মধু মিশিয়ে শিবলিঙ্গে অর্পণ করুন। বিশ্বাস, এর ফলে শুভ ফল লাভ হবে এবং পরিশ্রমের যোগ্য প্রাপ্তি আসবে।
এই কোজাগরী পূর্ণিমায় তাই একসঙ্গে মা লক্ষ্মী ও ভোলানাথের আরাধনা আপনার জীবনে এনে দিতে পারে নতুন আলো, শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা।












Click it and Unblock the Notifications