যেতে হবে না সুদূর কলোরাডো, বাংলাতেই আছে ক্যানিয়ন, জানেন কী?
যেতে হবে না সুদূর কলোরাডো, বাংলাতেই আছে ক্যানিয়ন, জানেন কী?
শিলিগুড়ি থেকে আড়াই ঘন্টায় অবস্থিত যেলবং গ্রাম, আর এখানেই আছে উত্তরবঙ্গের এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া একটি মাত্র রিভার ক্যানিয়ন।

এমন কি আছে এই ক্যানিয়ন ট্রেক এ?
আশ্চর্য, রোমাঞ্চ আর চোখ ধাঁধানো কিছু মুহূর্ত আছে এই যেলবং ক্যানিয়ন ট্রেকে। পাহাড়ে ট্রেক, কখনো নদী পেরোনো, কখনো বিশালাকার পাথরের উপর উঠে আবার কখনো নেমে পথ অতিক্রমণ, পাথরের মাছখান দিয়ে বয়ে যাওয়া জল এর উপর দিয়ে হেটে যাওয়া, গুহার ভেতরে বিশ্রাম করা অথবা খাওয়ার খাওয়া, আবার মন চাইলে ঝর্ণার স্নান করা। আরো একটি আশ্চর্য হোলো রামধনু কে নিজের হাতে নেওয়া। জলের ফোটা নিচে পরে আর সেটাতেই এই রামধনু তৈরি হয়। রেইনবো ফলস এর মতোন ঝর্ণা এখানকার একটা আকর্ষণীয় জায়গা।
যেলবং ক্যানিয়ন ট্রেক টি পুরো কোরতে ৫.৩০-৬ ঘন্টা লাগবে। নদীর ধারে ক্যাম্পিং আর নীল আকাশে তারার মাঝে একটি রাত প্রকৃতির মাঝে কাটানো, এর থেকে বেশি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা কি আর কিছু হোতে পারে।

কি ভাবে যেলবং আসবেন?
সব থেকে সোজা হোলো গাড়ি বুকিং কোরে সরাসরি যেলবং চলে আশা। শিলিগুড়ি থেকে বাক পুল হয়ে বাগরাকোট, তারপর ১৬ কিলোমিটার পরেই যেলবং। আর যদি শেয়ার এ আশে চান তাহলে শিলিগুড়ি থেকে ওদলাবাড়ি আসুন আর ওখান থেকে দুপুর ১২ টার পর ২-৩ তে গাড়ি পেয়ে যাবেন যেলবং আশার জন্য। নিজের বাইক অথবা চার চাকা থাকলে তো কোনো কোথায় নেই।

কোথায় থাকবেন এখানে?
হোমস্টে আর ক্যাম্পিং দুটোর ব্যবস্থা আছে। তবে ক্যাম্পেই থাকা টা ভালো তখনি যেলবং ক্যানয়ন ট্রেক এর আসল সুন্দর্য টা উপভোগ করা যায়। সঙ্গে পাহাড়ি খাওয়ার আর বোনফায়ার ও বারবেকেউ এর ও ব্যাবস্তা থাকবে।

কেমন খরচা পড়বে?
গাড়ি ভাড়া বোলেরো ৩৫০০ শিলিগুড়ি থেকে যেলবং হোমস্টে আর ক্যানয়ন ট্রেক ১৬০০ জন প্রতি
ক্যাম্পিং আর ক্যানয়ন ট্রেক ২২০০ জন প্রতি
এর মধ্যে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার, ২ বার চা এর ব্যবস্থা থাকবে।
এটি ট্রাভেলারদের স্বর্গরাজ্য। অনেকেই শিলিগুড়ি র কাছেই দু তিন দিনের জন্য পাহাড়ি গ্রাম এ কাটাতে চান। তাদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা। শিলিগুড়ি থেকে ঘন্টা দুএক এ পৌছে যান প্রকৃতি র স্বর্গ রাজ্যতে।
বাগরাকোট মোড় থেকে বাম দিকে পথ গেছে ইয়েলবং, চুইখিম,নিমবং, চারখোল এর দিকে। এই চারটে কে নিয়েও এক অনবদ্য সার্কিট ট্রিপও করে নিতে পারেন। এখান থেকে বা হয়ে বেশ কয়েকটা ট্রেকিং রুট ও গড়ে তোলা হয়েছে।
এখানে এর সুর্যাস্তও মনোগ্রাহী। পীঠে একটা ছোট্ট ব্যাগ ঝুলিয়ে যারা পাহাড়ি গ্রাম এর জীবন, ছোট্ট ঝোড়া, পাহাড়ের দিনলিপি প্রত্যক্ষ করতে চান, তাদের জন্য এটি আদর্শ।।। য়েলবং গড়ে তোলার জন্য হেল্প ট্যুরিজম এর রাজ বাসু র ভুমিকা অনস্বীকার্য। বেশ কয়েকটা হোমস্টে ও গড়ে উঠেছে এখানে। প্রায় সব কটাই পকেটসই।












Click it and Unblock the Notifications