Travel: মাউন্ট এভারেস্ট-কাঞ্চনজঙ্ঘা একরেখায়, রোমহর্ষক এই অভিজ্ঞতা পেতে চলে আসুন আলে
দার্জিলিংয়ের সান্দাকফুর কথা আলাদা করে আর পাহাড় প্রেমীদের বলতে হবে না। সকলেই জানেন সেই জায়গার কথা। সেখানে গেেলই কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্যে সম্মোহিত হয়ে পড়েন পর্যটকরা। দার্জিলিং থেকে আরও উঁচুতে সান্দাকফু। আর এই সান্দাকফু থেকে আরও দেড় কিলোমিটার এগিয়ে গেলে পড়ে আল।
এই অহলে একই রেঞ্জে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা আর মাউন্ট এভারেস্টকে। সান্দাকফু বা অহলের অনেকটা উঁচু হওয়ার কারণে এখানে বরফের দেখা মেলে। সেকারণে এখান থেকে এই দুই পাহাড়ের চূড়া ধরা দেয় খালি চোখেই। একেবারে অচেনা একটা জায়গা।

এখােন এই সময় আবহাওয়া অত্যন্ত সুন্দর। এখানকার সৌন্দর্য ক্যামেরা বন্দি করা যায় না। দুচোখ ভরে শুধু উপভোগ করতে হয়। তার সঙ্গে বরফের মজাও িনতে পারবেন। এই সময় উত্তরবঙ্গের কোনও পাহাড়েই বরফ পড়ে না এমনকী সান্দাকফুর মতো উঁচু জায়গাতেও পড়ে না। কিন্তু অহলে এই সময় বরফ দেখা যায়।
নেপাল মাউন্ট এভারেস্টের জন্য সান্দাকফু থেকে দেড় কিলোমিটার সফরেই এখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। এখান থেকে আবার মানেভঞ্জনও অনায়াসেই যাওয়া যায়। মানেভঞ্জন থেকে সান্দাকফু হয়ে ফালুট যাওয়ার পথেই পড়ে আল বা অহল। এখানে থাকার তেমন জায়গা নেই। টেন্টে থাকতে হয়। যাঁরা
তবে এখানে ভিউ পেতে হলে কাকভোরে পৌঁছতে হবে। কারণ সকাল ৮টা বাজতে না বাজতেই পাহাড় এখানে মেঘে ঢেকে যায়। তাই আগের দিন এখানে টেন্টে থাকা সবচেয়ে ভাল। সেকারণে আগে থেকে সব প্রস্তুতি নিয়ে আসতে হবে এখােন। রাখতে হবে ভাল গরম পোশাক।












Click it and Unblock the Notifications