Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Lakshadweep: লাক্ষাদ্বীপে যাঁরা ভ্রমণে যেতে চাইছেন জানেন সেখানে কি নিষিদ্ধ? প্ল্যানিংয়ের আগে জেনে নিন

মলদ্বীপ বয়কটের ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে অনেকেই লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেলেছেন। কিন্তু দেশের সিংহভাগ পর্যটকই জানেন না লাক্ষাদ্বীপ সম্পর্কে। সেখানকার সঙ্গে মলদ্বীপের যে কোনও মিলই নেই। অসাধারণ সমুদ্র সৈকতের অধিকারী হলেও লাক্ষাদ্বীপে এখনও রয়েছে অনেক বিধি নিষেধ।

প্রথম ভারতের জলসীমান্তে অবস্থিত লাক্ষাদ্বীপ দেশের ক্ষুদ্রতম কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল। একটি দ্বীপ নয় ৩৬টি দ্বীপ রয়েছে এই কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে। তার মধ্যে আবার সবকটি দ্বীপে বাস করে না মানুষ। যেকটি দ্বীপে মানুষের বাস তারা সকলেই আদিবাসী জনজাতি। মোট ৩২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সমুদ্রের উপর এর অবস্থিতি।

Lakshadweep

ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে লাক্ষাদ্বীপের দূরত্ব প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার। আরব সাগরের নীল জল তার উপরে সাদা বালি আর প্রবালের প্রাচীন অসামান্য সুন্দর করে তুলেছে লাক্ষাদ্বীপকে। ভারতের মালাবার উপকূল থেকে এই দ্বীপ সবচেয়ে কাছে। কিন্তু মলদ্বীপের বিকল্প হিসেবে যে সোশ্যাল মিডিয়া জু়়ড়ে লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে হই হই কাণ্ড চলছে সেই লাক্ষাদ্বীপে কিন্তু সহজে কোনও পর্যটকের যাওয়া সম্ভব নয়। এমনকী ভারতীয়দের পক্ষেও নয়।

এর জন্য পারমিট বা অনুমতি নিতে হয়। িনর্দিষ্ট সময়ের পারমিট থাকে। সেই সময় পেরিয়ে গেলে লাক্ষাদ্বীপের বাসিন্দা নন এমন কোনও ভারতীয় সেখানে থাকতে পারেন না। আগে থেকে অনলাইনে সেই পারমিটের আবেদন করতে হয়। এবং পর্যটককে তার বিস্তারিত পরিচয় এবং হোটেল বুকিংয়ের কনফার্মেশন দিতে হয়। এমনকী বিমানের টিকিটেরও প্রমাণ দিতে হয়। কতদিন সেখানে থাকবেন পর্যটকরা তার উপর ভাড়া নির্ভর করে। খুব বেশি হলে ১ মাসের সময় দেওয়া হয় পর্যটকদের থাকার। তার বেশি সময় কেউ পান না।

৩৬টি দ্বীপ নিয়ে লাক্ষাদ্বীপ তৈরি হলেও তার মধ্যে কেবল ৫টি দ্বীপে ভ্রমণের অনুমতি রয়েছে। কাভারত্তি, আগত্তি, বাঙ্গারাম, কদমত এবং মিনিকয় এই পাঁচটি দ্বীপের বাইরে পর্যটকরা যেতে পারবেন না। তবে পর্যটকদের সবচেয়ে পছন্দের হয়ে উঠবে আগত্তি দ্বীপ। এখানে পর্যটকদের জন্য ওয়াটার স্পোর্টসের বন্দোবস্ত রয়েছে।

লাক্ষাদ্বীপের আরেকটি পর্যটকদের জন্য উপযোগী দ্বীপ হল মিনিকয়। এখানে আদিবাসীদের জনপ্রিয় লাভা নৃত্য দেখা যায়। মিনিকয়ে জাহাধনি নামে একটি নৌকা প্রতিযোগিতাও হয়ে থাকে। এই দ্বীপের আরেকটি আকর্ষনীয় জিনিস হল চুা মাছ। এই দ্বীপেই আরেকটি বিমানবন্দর তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়ে মোদী সরকার।

লাক্ষাদ্বীপের কদমত দ্বীপের সৌন্দর্য মুগ্ধ করবে পর্যটকদের। আবার কাভারত্তি বাণিজ্যিক দিক দিয়ে ভাল লাগবে পর্যটকদের। বাঙ্গারাম দ্বীপে আবার রয়েছে প্রবাল প্রাচীর। এই দ্বীপগুলিতেই জনবসতি রয়েছে লাক্ষাদ্বীপের।
এখানকার জনপ্রিয় খাবার হল মুস কাবাব। সুগন্ধি চালের সঙ্গে টুনা মাছ, সবজি আর মশলা দিয়ে তৈরি করা হয়।
সেই সঙ্গে বিরিয়ানি, কদালাক্কা এবং টুনা কারি সেখানকার জনপ্রিয় খাবার। সেই সঙ্গে নাম না জানা সব ফল পাওয়া যায় লাক্ষাদ্বীপে।

এখানে যাঁরা বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন তাঁদের কয়েকটি জিনিস বেশি করে জেনে রাখা প্রয়োজন। সেটা হচ্ছে সমুদ্রে স্নান। লাক্ষাদ্বীপের কোনও সৈকতেই নগ্ন হয়ে স্নানে বা সানবাথে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যেমনটা গোয়াতে সম্ভব সেটা এখানে করা যাবে না। মলদ্বীপে যেটা অবাধ বলেই জানেন পর্যটকরা। এমনকী লাক্ষাদ্বীপে বিনা অনুমতিতে নারকেল গাছ থেকে নারকেল পাড়া নিষেধ। অনুমতি না নিয়ে কোনও গাছ থেকে নারকেল পাড়লে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হয়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+