গরমের দাপট ফের বাড়বে, ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন এই চা-বাগান থেকে
গরমের ছুটি মানেই দার্জিলিং। তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। দার্জিলিংয়ের ভিড় এড়িয়ে একটু যদি অন্যরকম কোথাও ঘুরে আসা যায় মন্দ হয়না। দার্জিলিংয়ের চা জগৎ বিখ্যাত। কিন্তু চা-বাগানে কেউ কখনও থেকেছেন কি। দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে এমনই এক অফবিট টি গার্ডেন।

মেঘ-পাহাড়ে খেলা
দার্জিলিং মানেই মেঘ আর পাহাড়েল লুকোচুরি খেলা। হঠাৎ করে মেঘে ঢেকে যাচ্ছে পাহাড় আবার মেঘ সরিয়ে জেগে উঠছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। সারাদিনই এই টানাপোড়েন চলতে থাকে। আর তাতেই মুগ্ধ পর্যটকরা। কাঞ্জনজঙ্ঘা নাই বা দেখা যাক ম্যালে বসে গায়ে মেঘ মেঘে নেওয়ার মধ্যেও আনন্দ অপরিসীম। পাহাড়ির রানি কাউকে নিরাশ করেন না। সকলের মন ভাল করে তবেই বাড়ি ফেরায়।

দার্জিলিয়ের চা-বাগান
দার্জিলিং মানেই চা। জগৎজোড়া খ্যাতি সেই চায়ের। মিরিক না গেলে দার্জিলিংয়ের চা বাগানে কতজন আর যান। দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে এমনই এক অফবিট চা-বাগান। চা-বাগানের মধ্যে দিয়ে এঁকে বেঁকে চলে গিয়েছে রাস্তা। গাড়ি চলে যায় একেবারে। চাবাগানে মেঘের খেলা। লেবং চা-বাগান দেখলে মন ভাল হয়ে যায়। চারিদিকে কেবল চা-বাগান আর জঙ্গল। একেবারে অন্যরকম একটা আবহাওয়া।

গিমা টি-গার্ডেন
দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে আরও একটি চা-বাগান তার নাম গিমা টি গার্ডেন। সেখানে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু তাতে একটু বেশি টাকা খরচ করতে হবে। তবে থাকার জায়গা রয়েছে। সেই জায়গা ছবির মতো সুন্দর। এখানে অনেক সিনেমার শ্যুটিংও হয়েছে। সেখানে গেলেই বুঝতে পারবেন । কাজেই চা-বাগানে বেড়ানোর পাশাপাশি একটা নতুন আনন্দও পাবেন সকলে।

রাতের দার্জিলিং
দার্জিলিং কিন্তু রাতের বেলায় একেবারে অন্যরকম। রাতের ম্যালে চাঁদের হাট বসে। রকমারি খাবার থেকে আলো। একেবারে ঝকমক করে পাহাড়। সত্যিই পাহাড়ের রানি হয়ে ওঠে দার্জিলিং। এমনই সুন্দর হয়ে ওঠে এখানকার পরিবেশ। আবার রোপওয়েতে চড়ে বেড়িয়ে আসা যায় চা-বাগান। রোপ ওয়েতে চড়ে বেড়িয়ে নিতেই পারেন চা-বাগান।
ছবি সৌ:পিটিআই ও ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications