অযোধ্যা যাওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলেছেন? ঘুরে আসুন রাম মন্দিরের কাছেই এই জায়গাগুলিও

২২ জানুয়ারি মেগা ইভেন্টের পর অযোধ্যার দরজা খুলে যাচ্ছে সাধারণের জন্য। ৭০০০ অতিথি সমাগবে হবে সেই প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। তাতে ভিভিআইপিরা আসবেন অনুষ্ঠান দেখতে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

ইতিমধ্যেই সেখানে উপস্থিত হতে শুরু করে দিয়েছে আমন্ত্রিত তারকারা। রজনীকান্ত, ধনুষ অনুপম খের থেকে শুরু করে একাদিক বলিউড তারকা আজ থেকেই পৌঁছে যাচ্ছেন অযোধ্যায়। সেখানে আজ শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। এলাহি আয়োজন শুরু হয়ে গিয়েছে। নিরাপত্তার কড়া চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা অযোধ্যা।

Ram Mandir

অনেকেই ইতিমধ্যে অযোধ্যা যাওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলেছেন। ২৩ তারিখ থেকে সাধারণের জন্য খুলে যাচ্ছে রাম মন্দিরের দরজা। শুধু দেশের নয় বিদেশ থেকেো দর্শনার্থীরা আসবেন অযোধ্যায়। যাঁরা অযোধ্যায় যাবেন বলে ঠিক করেছেন তাঁরা শুধু মন্দির দর্শন করেই চলে আসবেন না অযোধ্যায় রয়েছে আরও অনেক দেখার জায়গা।

  • হনুমান গড়ি

অযোধ্যার রাম মন্দিরের কাছেই রয়েছে এই জায়গাটি। কয়েকদিন আগে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সেখানে গিয়ে পুজো দিয়ে এসেছেন। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী মোদীও যাবেন সেখানে। দশম শতাব্দীর তৈরি এই মন্দির হনুমান ভক্তদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। গর্ভগৃহে পৌঁছতে ৪৮টি সিঁড়ি উঠতে হয়। অযোধ্যার উপরে নজর রাখার জন্যই এতোটা উঁচুতে থাকতেন হনুমানজি।

  • কণক ভবন

হনুমান গড়ির পরেই যে জায়গািট না গেলেই নয় সেটি হল কনক ভবন। একে সোনে কা ঘরও বলা হয়ে থাকে। ১৮৯১ সালে মন্দিরটি তৈরি হয়েছিল। এখানে রাম লক্ষ্মণ এবং সীতার মূর্তিতে সোনার মুকুট পরানো রয়েছে। এখানে একেবারে রাজকীয় বেসে রয়েছে শ্রীরামের মূর্তি।

  • নাগেশ্বরনাখ মন্দির

অযোধ্যার আরেকটি মন্দির নাগেশ্বরনাথ মন্দির। অযোধ্যার তেহেরি বাজার এলাকায় রয়েছে মন্দিরটি। কথিত আছে মন্দিরটি তৈরি করেছেন শ্রীরামের সন্তান কুশ। মন্দিরের উপাস্য দেবতা হলেন শিব। মৌর্য এবং গুপ্তযুগের স্থাপত্যের নিদর্শন রয়েছে এই মন্দিরটিতে।

  • সীতা কি রসোই

রাম জন্মভূমির উত্তর-পূর্ব দিকে রয়েছে এই জায়গাটি। যাকে বলা হয় সীতা কি রসোই। বিশ্বাস করা হয় এই রান্না ঘরে রান্না করতেন মাতা সীতা। সেটিকে পরে মন্দিরের রূপ দেওয়া হয়েছে। মন্দিরের ২টি ঘর সীতা রসোইয়ের জন্য বরাদ্দ বাকি জায়গা গুলিতে বিভিন্ন প্রাচীন আমলের বাসনপত্র প্রদর্শীত রয়েছে।

  • রাজা মন্দির

অযোধ্যায় ঘাঘর নদীর পাড়ে রয়েছে মন্দির। রাজপুত স্থাপত্য শৈলিতে তৈরি এই মন্দিরটি মুগ্ধ করবেই। এখানের মূর্তিগুলি শ্বেত পাথরের তৈরি। এতোটাই মসৃণ এবং সুন্্দর এই মন্দিরের মূর্তিগুলি তার সঙ্গে মন্দিরের মেঝে এতোটাই মসৃণ যে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়।

  • বহু মেগম কা মকবরা ও গুলাববাড়ি

ফৈজাবাদের পথেই পড়বে এই বহু বেগম কা মকবরা। এটি এতো সুন্দর যে একে পূর্বের তাজমহল বলা হয়ে থাকে। এটি আসলে একটি মিউজিয়াম। আশ্চর্যের বিষয় এর স্থাপত্যে মুঘোল স্থাপত্য শৈলির কোনও চিহ্নই নেই। এরপরেই রয়েছে গুলাববাড়ি। এটি আসলে একটি গোলাপ বাগান। ফৈজাবাদের নবাব এই বাগানটি তৈরি করেছিলেন। নবাবি স্থাপত্য শৈলির সঙ্গে গোলাপের বাগান অসাধারণ লাগে।

  • অওধ শিল্পগ্রাম

অওধি শিল্পকলার নিদর্শন মিলবে এই শিল্পগ্রামে। এখানে অসাধারণ কারুকার্য করা বাসন পত্র থেকে শুরু করে কাঠের কাজের নকশা করা জিনিস রয়েেছ এখােন। বাড়ির লোকের জন্য উপহার হিসেবে কিনে নিয়ে যেতে পারেন। বেশ মন ভালো করা জায়গা এটি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+