পাহাড়ের বুকে ধানচাষ দেখেছেন কখনো? গরমের ছুটিতে চলে আসুন দার্জিলিংয়ের এই সবুজ গ্রামে
গরমের তেজ এখন অনেকটাই কমে গিয়েছে। তার মাঝেই অনেকেই প্ল্যানিং শুরু করে দিয়েছেন মে মাসে কোথায় বেড়াতে যাবেন। কারণ ২ মে থেকে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলেই ছুটি পড়ে যাচ্ছে। কাজেই কোথায় বেড়াতে যাবেন এই নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে। অফবিট লোকেশন হলে সবচেয়ে ভাল। দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে এমন একটি অফবিট পর্যটন কেন্দ্র। যার নাম ছোট রঙ্গিত।

গরমের ছুটিতে ছোট্ট বেড়ানো
গরমের ছুটিতে পড়তে আর বেশি দেরি নেই। এরই মধ্যে অনেকেই টিকিট বুক করে ফেলেছেন। আবার অনেকে বুকিং পাচ্ছে না। তাঁদের জন্য কাছে পিঠের ছোট ছোট পর্যটন কেন্দ্রগুলি অপেক্ষা করছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াংয়ের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলি যাঁরা বেড়াতে যেতে চান না তাঁরা কাছে পিঠের অফবিট লোকশন গুলো একবার ঘুরে দেখতে পারেন।

ছোট রঙ্গিত
দার্জিলিংয়ের কাছেই ছোট্ট একটা গ্রাম ছোট রঙ্গিত। কৃষি প্রধান গ্রাম। এখানকার মানুষের প্রধান জীবীকা চাষবাস। গ্রাম জুড়ে কেবল চাষবাস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। পাহাড়ি গ্রামের মানুষ কীভাবে নিপুন বাবে চাষ করেন তার একটা অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে ছোট রঙ্গিতে। দার্জিলিংয়ের কাছেই এই গ্রাম। বিজন বাড়ি থেকে বেশি দূরে নয়। এই গ্রাম থেকে বিজনবাড়ি স্পষ্ট দেখা যায়।

ধাপে ধাপে ধান চাষ
ছোট রঙ্গিত জুড়ে চাষবাস করে থাকেন বাসিন্দারা। ধাপ কেটে কেটে হয় ধান চাষ। অক্টোবর মাসে গেলে একেবারে সোনালি রং হয়ে থাকে পাহাড়। গোটা গ্রামে যেন সোনা ঝরছে। এমন সুিন্দর দেখায়। আর এখন গেলে দেখতে পাবেন জমি পরিষ্কার করে ধান চাষের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা। সেটাও দেখার মত। দাপে ধাপে কীভাবে ধান চাষ হয় অনেকেই জানেন না। এখানে এলে সেটা দেখা যাবে। হোম স্টের জানলা খুললেই সবটা দেখা যায়।

মানেভঞ্জন আর রঙ্গিত নদী
এই গ্রামের পথে যেতে যেদিকে তাকাবেন সেদিকে তাকালেই কেবল সবুজ। সামনেই মানেভঞ্জন পাহাড়। আর একদিকে বয়ে চলেছে ছোট রঙ্গিত নদী। সারা বছরই এখানে বেড়াতে আসা যায়। আলাদা করে নতুন কোনও জায়গা নেই। সারাদিন েহঁটেই গ্রাম ঘুরে বেড়ানো যায়। এনজেপি থেকে এর দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার। দার্জিলিংয়ের দূরত্ব মাত্র ২২ কিলোমিটার। কাজেই এখান থেকে দার্জিলিংও বেড়িয়ে আসা যায়। আবার সিকিমের জোরথাংও খুব কাছে। সেটাও দেখে আসতে পারেন।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications