পাহাড়ের গা বেয়ে তিস্তার ক্যাট ওয়াক, দূর থেকে উঁকি দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা, চলে আসুন উত্তরবঙ্গে এই ছোট্ট গ্রামে
তিস্তােক পাশে রেখে পাঁকে বাঁকে পাহাড়ে তো উঠেছেন অনেকেই। কিন্তু কখনও কি দেখেছেন কত বাঁকে বয়ে গিয়েছে তিস্তা। এমন পাখির চোখের ভিউ পাওয়া যা কালিম্পংয়ের কাছের এই গ্রামে। একেবারে অফবিট একটা লোকেশন। যেখানে দাঁড়াবেন সেটাই ভিউ পয়েন্ট।

বাঁকে বাঁকে তিস্তা
উত্তরবঙ্গ মানেই তিস্তা, তোর্ষা। আর পাহাড়ে উঠতে তিস্তাই পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় এক প্রকার। যেমন খরস্রোত তার তেমনই তার গর্জন। পাহাড়ের খরস্রোতা নদী বললে ভুল হবে না। সেই তিস্তাকে পাশে রেখেই বাঁকে বাঁকে কার্শিয়াং-কালিম্পং-দার্জিলিং চড়ে রাস্তা। পাহাড়ের অনেকটা উঁচু থেকে তিস্তার এই বয়ে চলা কেমন লাগে দেখেছেন কখনও। পাহাড় মানেই কাঞ্চনজঙ্ঘাতেই মজে থাকেন সকলে। কিন্তু তিস্তার সৌন্দর্যও কিন্তু ভোলার নয়।

পাখির চোখে তিস্তা
দূর থেকে তিস্তা কেমন দেখতে লাগে সেটা দেখতে হলে চলে আসতে হবে কালিম্পংয়ের কাছে এই অফবিট লোকেশনে। কালিম্পংেয়র কাছেই ছোট্ট গ্রাম মুঙ্গেরজুং। হোমস্টেই এখানে একমাত্র ভরসা। এখান থেকে তিস্তার যে রূপ দেখা যায় তা আর কোথাও দেখা যায় না। তিস্তার অসংখ্য বাঁক আর তার বয়ে চলা এখান থেকে দেখা যায়। অসম্ভব সুন্দর সেই সৌন্দর্য। আর উপরি পাওনা কাঞ্চনজঙ্ঘা। আকাশ পরিষ্কার থাকলে উঁকি দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা।

আর কী দেখার আছে
এখান থেকে অনেক কিছু দেখা যায়। এখান থেকে দেখা যায় জলসা বাংলো। একটা বেলা কাটানোর মত যথেষ্ট এই জায়গা। গ্রামের কাছেই রয়েছে মনেস্ট্রি। হেঁটেই আসা যায়। শান্ত নিরিবিলি সাদা মাঠা একটা জায়গা। এর আশপাশেই রয়েছে একটি সিঙ্কোনার গো ডাউন। সিঙ্কোনা চাষ করে এখানে রাখা যাকে। গ্রামের ছোট ছোট বাড়ি তার সঙ্গে বাগান আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

রাতের সৌন্দর্য
এই গ্রাম থেকে রাতের সৌন্দর্য অসাধারণ। সন্ধে নামার সময় পাহাড়ের যে রূপ বদল সেটা মুগ্ধ করবেই। অন্ধকার নামলেই অসংখ্য তারার মত জ্বলে ওঠে সামনের পাহাড়গুলো। কালিম্পং, রংপো এখান থেকে দেখা যায়। রাতে ক্যাম্প ফায়ারের বন্দোবস্ত থাকে হোম স্টে গুলিতে। তাকে তন্দুরি চিকেন খাওয়ার সুযোগও রয়েছে। নেপালি গান শুনতে শুনতে মন ভরে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications