Upper Kumai: বর্ষায় কেমন দেখতে হয় ডুয়ার্সের প্রান্তর, চলে আসুন পাহাড়ি নদীর পাড়ে আপার কুমাইয়ে
বর্ষা বলে কিন্তু কোনও ভাবেই ব্রাত্য হতে পারেন না উত্তরবঙ্গ। পাহাড়ে ধস, জঙ্গল বন্ধ। অনেকে প্রশ্ন করতেই পারেন তাহলে দেখবেন কি। ঘুরবেন কোথায়। কিন্তু বর্ষাতেই বরং দেখার অনেক সুন্দর জায়গা রয়েছে ডুয়ার্সে। তার মধ্যে একটা আপার কুমাই।
ডুয়ার্সের সে এক অদ্ভুত সুন্দর জায়গা। বর্ষা এখানে মোহময়। দিনভর এখানে মেঘ আর কুয়াশা হাত ধরাধরি করে খেলা করে। অসম্ভব সুন্দর আর মোহময় হয়ে এঠে ডুয়ার্সের এই ছোট্ট গ্রাম। রয়েছে ছোট্ট একটা পাহাড়ি ঝরনা। নদীর উপরে রয়েছে একটা ছোট্ট সেতু।

ডুয়ার্সের আপার কুমাই বর্ষায় আরও সবুজ হয়ে ওঠে। গ্রামের পাশে পায়ে পায়ে হেঁটে ঘুরে নিন বেশ কিছুটা জায়গা। জঙ্গলের মধ্যে পড়বে বেশ কিছু ঝরনা। বর্ষার জলে সেগুলি আরও সতেজ হয়ে ওঠে। জঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে পুরনো সব সমাধি ক্ষেত্র। এই গ্রামের ছেলে শহিদ হয়েছিলেন কারগিল যুদ্ধে। তার মূর্তি গড়া রয়েছে গ্রামের মাঠে।
তার কাছেই রয়েছে ছোট্ট একটা বাজার। এখানে প্রতিসপ্তাহে শনিবার করে হাট বসে। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের পসরা সাজিয়ে বসেন। সেই হাটও দেখার মতো। সেখানে থাীকার সুযোগ যদি পান তাহলে অসাধারণ একটা জায়গা। এই গ্রামে থাকার একটাই হোমসটে।

সেখানে অনেকেই থাকতে পারেন। তার সঙ্গে উপরি পাওনা অসাধার বাগান। এখানে সুন্দর সুন্দর সব নাম না জানা পাহাড়ি গাছ রয়েছে। সেগুলি দেখতে অসাধারণ লাগে। ঘরের মধ্যেও রয়েছে অসংখ্য সব নাম না জামা সব গাছ। বাড়ির সামনে আবার ছোট্ট একটা চা বাগান আছে। সেই চা বাগানের চা দিয়েই এই হোম স্টেতে অতিথিদের আপ্যায়ণ জানানো হয়। সন্ধের পর বারান্দায় বসে দেখতে পাবেন দূরের ভুটান পাহাড়ের আসাধারণ দৃশ্য।
শিলিগুড়ি থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে এখানে থাকতে। এখান থেকে রকি আইল্যান্ড, সুনতালখোলা সহ ডুয়ার্সের একাধিক পর্যটন কেন্দ্র অনায়াসে ঘুরে দেখা যায়। হোম স্টে থেকেই চাইলে বুকিং করে দেওয়া যায়। শেয়ারের গাড়িতে গেলে খরচ একটু কম পড়ে।












Click it and Unblock the Notifications