Udaipur Tripura: জানেন কোথায় বসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিসর্জন রচনা করেছিলেন? কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের প্রাণের কবি। আর বাংলা ভাষার সঙ্গে ত্রিপুরারও যোগ রয়েছে। সেকারণে ত্রিপুরার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরও একটি যোগ রয়েছে। অনেকেই জানেন আবার অনেকেই জানেন না। ত্রিপুরার প্রাচীণ রাজধানী উদয়পুরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি।
জানেন কি এই উদয়পুরে বসেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন তাঁর জনপ্রিয় রচনা বিসর্জন। রাজা গোবিন্দ মানিক্য থেকে শুরু করে ত্রিপুরা রাজবাড়ি জড়িয়ে যে গল্পের বাঁধুনি তিনি তৈরি করেছিলেন তা রূপ পেয়েছিল এই উদয়পুরে বসেই। পশ্চিমবঙ্গের পাশের রাজ্য ত্রিপুরা। বাংলার সঙ্গে ত্রিপুরার আত্মিক যোগ রয়েছে। দুই রাজ্যের ভাষাই বাংলা। স্থানীয় কিছু বদল ছাড়া দুই রাজ্যই একই ভাষার বন্ধনে বাধা দুই রাজ্য।

এই ত্রিপুরার প্রাচীণ রাজধানী উদয়পুর। অষ্টাদশ শতকে সামশের গাজির আক্রমণের আগে পর্যন্ত উদয়পুরই ছিল এখানকার রাজধানী। মগরাজাজদের রাজত্ব রাঙামাটি এখনকার ত্রিপুরা। সেকারণে উদয়পুর জুড়ে রয়েছে এরকাধিক মন্দির। এখানকার সবচেয়ে জনপ্রিয় মন্দির ভূবনেশ্বরী মন্দির। এই মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন রাজা গোবিন্দ মানিক্য।এই ভুবনেশ্বরী মন্দিরে বসেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিসর্জন নাটকটি প্রেক্ষাপট তৈরি করেিছলেন।

মন্দিরের কাছেই রয়েছে রাজা গোবিন্দমানিক্যের রাজপ্রসাদের ভগ্নাবশেষ। রক্ষণাবেক্ষণের অভােব অনেক মন্দির ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রয়েছে চতুর্দশ দেবতা মন্দির। যদিও সেখানে কোনও বিগ্রহ নেই। কেবল মন্দিরটি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই মন্দিরের সঙ্গে বিষ্ণুপুরের মিল রয়েেছ। আগরতলা থেকে ৫২ কিলোমিটার দূরে উদয়পুর। কাজেই ত্রিপুরা ভ্রমণের এটি একটি অন্যদিক তাতে কোনও সন্দেহ নেই। যাঁরা অফবিট কিছু দেখতে ভালোবাসেন তাঁদের জন্য উদয়পুর নিঃসন্দেহে ভাল জায়গা।












Click it and Unblock the Notifications