Travel: লাগবে না ভিসা-পাসপোর্ট, কলকাতা থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে বিদেশভ্রমণ
পাসপোর্ট ভিসা ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ। তাও আবার কলকাতার কাছে। সেটা কি করে সম্ভব। কারণ বাংলাদেশ যেতে গেলেও পাসপোকর্ট ভিসার প্রয়োজন হয়। ভুটানেরক ক্ষেত্রেও আলাদা করে পারমিট দিতে হয়। কিন্তু এই জায়গা ভুটানও নয় আবার বাংলাদেশও নয়। এই জাগার নাম নেপালের ইলম জেলা।
নেপাল আমাদের বন্ধু প্রতিবেশী দেশ। ভারতের সঙ্গে নেপালের একাধিক সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেও রয়েছে। উত্তরবঙ্গ দিয়ে নেপাল পৌঁছে যাওয়া যায়। নেপাল মানেই আমরা জানি কাঠমান্ডু আর মাউন্ট এভারেস্ট। নেপাল সফরে গেলেই সকলে হাজির হয়ে যান কাঠমান্ডুতে।

কিন্তু নেপালের আরও অনেক সুন্দর জায়গা রয়েছে। তার মধ্যে একটি পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া ইলম জেলা। যার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের পাহাড়ি গ্রামের খুব একটা ফারাক নেই। নেপালের সঙ্গে আমাদের আত্মিক সম্পর্কও রয়েছে। বিবাহ সূত্রে পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের অনেক মেয়েরই বিয়ে হয় নেপালে। আবার নেপাল থেকেও অনেক মেয়ে ভারতে বিয়ে করে আসে। আবার সকাল বিকেল সীমান্ত পেরিয়ে নেপাল এবং ভারত দুই দেশেই শ্রমিকদের আনাগোনা রয়েেছ।
এনজেপি থেকে নেপালের ইলম জেলা খুবই কাছে। পানিট্যাঙ্কি হয়ে রাস্তা চলে গিয়েছে নেপালের কাকরভিটা বর্ডারে। সেই সীমান্তে ভারতের গাড়ি ছেড়ে দিয়ে লাগেজ চেকিং করিয়ে পরিচয় পত্র দেখিয়ে ঢুকে পড়া যায় নেপালে। সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে চলে আসুন চল্লিশ কিলোমিটার দূরের ইলম জেলায়। চারিদিকে কেবল চা বাগান। সেই চা-বাগানের মধ্যে তৈরি হয়েছে স্কাইওয়াক। কাচের তৈরি স্কাই ওয়াক। সেখান থেকে অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়। এখানে চা-বাগানের মধ্যে অসংখ্য থাকার জায়গা রয়েছে। ছোট ছোট কটেজ। চাবাগানের মাঝে রয়েছে শ্রী অন্তু লেক। সেখানে বোটিংয়ের বন্দোবস্ত রয়েছে।
উত্তরবঙ্গ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে হলেও নেপালে পা রাখলেই পুরো আবহাওয়া বদলে যায়। এখান ঠান্ডাটাও বেশি। তার সঙ্গে পরিবেশ দূষণের মাত্রাটা অনেকটা কম। রুক্ষ পাহাড়ের সঙ্গে সবুজ পাহাড়ও রয়েছে। তার সঙ্গে হ্রদের কাচের মতো পরিষ্কার জল। আবার আমাদের পাহাড়ের সঙ্গে এর অনেক মিল রয়েছে। কয়েক কিলোমিটারের সফরেই বিদেশ থেকে ঘুরে আসতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications