Travel: পুজোর ছুটিতে পাহাড়ে যাচ্ছেন? ঘুরে আসুন এই অরগ্যানিক হাটে, মন ভরে যাবে
কালিম্পং সকলের কাছেই খুব পরিচিত জায়গা। পাহাড়ে একেবারে জমজমাট সদর শহর। এখানকার মোমো খুব বিখ্যাত। কালিম্পংয়ের ডেলোতেই সাধারণ পর্যটকরা ভিড় করেন। পাহাডের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এক সুবিশাল পার্ক। তাতে আবার একটি বাংলোও রয়েছে।
তবে সম্প্রতি কালিম্পংয়ে একটি জায়গা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । সেটির নাম গোর্খা হাট। কালিম্পংয়ের স্থানীয় বাসিন্দারাই এই হাটটি শুরু করেছিলেন। করোনার পর মে মাসে সেটি শুরু হয়েছিল। কেবল নেপালি খাবার দাবার , অরগ্যানিক সবজি, স্থানীয় খাবার দাবার মেেল এখানে।

অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই এই হাটটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানে এলেই স্থানীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া পাবেন। এখানকার মানুষের হাতের তৈরি বাঁশের বিভিন্ন জিনিস। সুবেনিয়ার। ফ্লাওয়ার ভাস। পেনদানি। বিভিন্ন রকমের আঁচার। গরুর দুধের মাখন, ইয়াকের মাখন, িচজ তো রয়েইছে।
আরেকটি জিনিস এখানে পাওয়া যায় সেটি হল সেল রুটি। নেপালি জনপ্রিয় খাবার এটি। পাহাড়ে গেলেই মোমোর মতোই সেল রুটিও জনপ্রিয় খাবারের মধ্যে পড়ে। রাগি পকোরা। নেপালি জনপ্রিয় খাবার। এছাড়া মোমো তো রয়েইছে। তার সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা কফি-চা পাওয়া যায় এখানে। স্থানীয় বেকারিতে তৈরি বিভিন্ন রকমের বিস্কুট, কেক, সসেজ পাওয়া যায়। তবে এখানে একটা জিনিস জেনে রাখা দরকার। এখানে মোমোর সঙ্গে কিন্তু স্যুপ বিক্রি হয় না।
আরেকটি স্থানীয় খাবারের স্বাদ এখানে পাওয়া যায় সেটি হল ফুম্বি। মুগডালের তৈরি ঝালঝাল একটি পদ। না খেলে মিস করতে হয়। এখানে নেপালি পোশাক। এমনকি গোর্খাদের ট্র্যাডিশেনাল পোশাক এবং গয়নাও পওয়া যায়। সেই সঙ্গে গাছের কথা তো না বললেই নয়। এখানে অসংখ্য ক্যাকটাস, অর্কিড পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকমের পাহাড়ি মশলা এবং হাতের কাজের জিনিস পাওয়া যায়।

কাজেই যাঁরা পাহাড়ে বেড়াতে আসছেন তাঁরা চলে আসুন কালিম্পংয়ের এই অফবিট লোকেশনে। একেবারে অন্যররকমের বেড়ানো হবে একটা। স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রারও একটা আঁচ পাবেন এই হাটে এলে। এখানে এলেই দেখতে পাবেন। কালিম্পংয়ে না থাকলেও কাছে পিঠে যাঁরা থাকছেন তাঁরা বৃহস্পতিবার এই হাটে ঘুরে যেতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications