Travel: মেঘলা আকাশে হালকা হওয়ায় গঙ্গায় জলতরঙ্গ, সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন শহরের এই জায়গা থেকে

ঘরের মধ্যে বর্ষার বৃষ্টি দেখতে দেখতে বোর হয়ে গিয়েছেন। সপ্তাহান্তের ছুটিতে কোথাও একটা জায়গায় যেতে ইচ্ছে করছে। আবার বৃষ্টির একটা ভয়ও রয়েছে। বেশি দূরে যেতে মন চাইছে না। আমাদের শহরেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এমন বেশকিছু জায়গা যেখানে গেলে মনজুড়িয়ে যাবে।

সপ্তাহান্তের ছুটিতে ঘরবন্দি?

সপ্তাহান্তের ছুটিতে ঘরবন্দি?

বর্ষা আসছে আসছি করে অবশেষে ঢুকে পড়েছে রাজ্যে। শহরের আকাশে মেঘের ঘনঘটা। হঠাৎ হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজছে শহর। ঠাঁটাপোড়া রোদ-গরম থেকে অবশেেষ রেহাই মিলেছে। সব ঋতুর যেমন সমস্যা আছে। তেমন বর্ষারও রয়েছে। গরম থেকে বাঁচতে বর্ষা কবে আসবে বলে চাতক পাখির অপেক্ষা করছিলেন সকলে। বর্ষা এসে পড়েছে। এখন আবার আরেক সমস্যা। ঘরবন্দি জীবন। সপ্তাহান্তের ছুটিতে কোথায় বেড়ানো যায় সেটাই ভেবে পাওয়া যাচ্ছে না।

বাগবাজার ঘাট

বাগবাজার ঘাট

কিন্তু আমাদের শহরই যে একটা আস্ত পর্যটন কেন্দ্র সেটা আর কতজন জানেন। শহর কলকাতাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্র। অনেকেই জানেন না সেই সব জায়গার কথা। উত্তর কলকাতার বাগবাজারেই রয়েছে কত দেখার জায়গা। বাগবাজার মানেই যে শুধু দুর্গাপুজো তা নয়। বাগবাজারে রয়েছে মায়ের বাড়ি। মা সারদার বাড়ি। রয়েছে বাগবাজারে মায়ের ঘাট। মা সারদার নামে এই ঘাটকে মায়ের ঘাট নাম দেওয়া হয়েছে।

সময় কেটে যাবে

সময় কেটে যাবে

বাগবাজারে এই মায়ের ঘাটে যারা এখনও আসেননি তাঁরা একটা বড় জিনিস দেখেননি। গঙ্গার পাড়ের বাগবাজারের এই মায়ের ঘাটে িকছুক্ষণ বসে থাকলেই মনটা জুড়িয়ে যায়। শান্ত পরিবেশ। পরিচ্ছন্ন ঘাট। মায়ের ঘাটে মেঘলা দিনে কিছুটা সময় কাটিয়ে আসুন। বর্ষার হাওয়া কীভাবে গঙ্গার জলে তরঙ্গ তোলে। দূরে নোকার দুলুনি। আর আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা। জলভরা মেঘ দূরে কোথাও বৃষ্টি ঘটাচ্ছে । এই ঘাটের পাড়ে বসেই কেটে যাবে অনেকটা সময়।

বাগবাজারে মায়ের বাড়ি

বাগবাজারে মায়ের বাড়ি

এই বাগবাজার ঘাটের কাছেই রয়েছে বাগবাজারের মায়ের বাড়ি। মা সারদা দেবী এই বাড়িতে অনেকটা সময় কাটিয়েছেন। সেই বাড়িটি সংস্কার করে দর্শকদের জন্য খুলে দিয়েছে রাজ্য সরকার। বাগবাজারের ঘাটের একটা ইতিহাস রয়েেছ। এই ঘাটটি তৈরি করেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌল্লার উপ-প্রধানমন্ত্রী রাজা রায়দুর্লভ রায়ের পুত্র রাজা রাজবল্লভ রায়। রায়দুর্লভ সিরাজের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেও তাঁর ছেলে কিন্তু জনহিতে অনেক কাজ করেছেন। এক সময়ে এই গঙ্গার ঘাটে পদধুলি পড়েছিল সারদা মায়ের। এই ঘাটেই বাগবাজারের দুর্গাপুজোর নবপত্রিকা স্নান করানো হয়। প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীণ এই গঙ্গার ঘাট।

ছবি সৌ:ফেসবুক

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+