Travel: আদিবাসীদের সহজ-সরল জীবনযাত্রার মাঝে থাকতে চান, ঘুরে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা কোনও ঋতুতেই তাকে ঘরে আটকে রাখা দায়। বর্ষায় বৃষ্টি হচ্ছে বলে যে বেড়ানো হবে না সেটা হতেই পারে না। ঠিক খুজে খুজে জায়গা বের করে বেড়িয়ে পড়েন সকলে। তা সে পরিচিত জায়গাই হোক আর অপরিচিত জায়গাই হোক।
বর্ষা মানেই যে কেবল প্রকৃতির ধ্বংসলীলা তা নয় বর্ষা মানে আবার অন্য এক সৌন্দর্যও আছে। এই বর্ষাতেই প্রকৃতি আরও নবীন হয়ে ওঠে। নতুন করে সেজে ওঠে পাহাড়, ঝরনা। তার একটি রুদ্র রূপ যেমন আছে তেমন আছে মোহময়ী রূপও।

এই সময়ে যাঁরা একটু সাদামাঠা ভাবে প্রকৃতির কোলে যাঁরা কাটাতে চান তাঁরা ঘুরে আসতে পারেন ডুয়ার্সের এই জায়গায়। আর একমাস পরেই খুলে যাবে জঙ্গল। ডুয়ার্সে এখন তাই পর্যটকের তেমন আনাগোনা নেই। হলং বনবাংলো পুড়ে যাওয়ার কারণে এবার ডুয়ার্সের পর্যটনেও ভাঁটা পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এই হলংয়ের কাছেই রয়েছে একটি জায়গা যেখানে গেলে একেবারে আনমকোড়া প্রকৃতির দেখা মেলে। দেখা যায় আদিবাসীদের সহজ সরল জীবন যাপন। এমনই একটি জায়গা হল টোটো পাড়া। পর্যটনের মরশুমে অনেকেই হয়তো এখানে আসেন। কিন্তু এই সময় তেমন পর্যটকের ভিড় দেখতে পাওয়া যায় না।
টোটো উপজাতির বাস এখানে। তাঁদের আর কোথাও দেখা যায় না বাংলায়। এই টোটো পাড়া যেমন দেখার মতো জায়গা তেমন এই টোটো পাড়ার কাছেই রয়েছে ডলোমাইট ও লাইমস্টোনের পাহাড়। হাউলি এবং কাউলি নদীর পাড়ে রয়েছে সেই পাথরের পাহাড়। এই ডলোমাইট পাথর সংগ্রহ করেই তাঁরা জীবিকা নির্বাহ করেন।
ছোট ছোট টিনের বাড়িতে বাস করে এই টোটোরা। ভুটানিদের সঙ্গে তাঁদের অনেক বিষয়ে মিল পাওয়া যায়। একেবারে আনকোড়া আদিম প্রকৃতির দেখা মেলে এখানে। চারিদিকে নাম না জানা কতো পাখি দেখতে পাওয়া যায়। টোটো পাড়ায় এখন থাকার বন্দোবস্তও হয়ে গিয়েছে। ছোট ছোট কটেজ করে তৈরি হয়েছে হোমস্টে। যেখান থেকে সেখানকার আদিবাসীদের জীবন যাত্রা কাছ থেকে দেখতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications