Travel: মেঘের মাঝে দুটি ছোট্ট কাঠের বাড়ি, এমন রোম্যান্টিক জায়গা রয়েছে দার্জিলিংয়ের একেবারে কাছেই
দার্জিলিংয়ে মেঘ নাকি ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে। ছোটবেলায় এমন গল্প অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু যখন সত্যিই দার্জিলিংয়ে পা রেখেন তখন সেটা ছাপিয়ে গিয়েছে কল্পনাকেও। দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে আরও অক স্বপ্নের জায়গা। যেখানে না গেলে বোঝা যায় না তার সৌন্দর্য।
কল্পনাও এখানে হার মানে এতোটাই সুন্দর এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। কার্শিয়ংয়ের কাছে ছোট্ট একটা গ্রাম তুরিয়ক। যার গায়ে মেঘ মাখামাখি করে ঘুরে বেড়ায়। মেঘের মাঝে ছোট ছোট কাঠের বাড়ি। স্বপ্ন বইকি। একে সত্যিই স্বপ্ন বলে মনে হবে। তুরিয়ক এমনই একটি পাহাড়ি গ্রাম।

বর্ষা আর শীত দুটোই এখানে অসাধারণ। বর্ষায় গাঢ় সবুজ গাছে ঘিরে রাখে গোটা জায়গা। ঘন জঙ্গল আরও ঘন সবুজ হয়ে ওঠে বর্ষায়। আর বর্ষার পর গোটা গ্রাম ঝকঝক করে। আকাশ আরও নীল হয়ে ওঠে। বর্ষায় বড়ই খাম খেয়ালি এখানকার আবহাওয়া। বর্ষার মেঘ কাটলেই পিকচার পারফেক্ট গোটা গ্রাম। সামনেই ঝকঝক করে কাঞ্জনজঙ্ঘা। ভুলে যাবেন দার্জিলিংকেও।
তুরিয়কে রয়েছে লেপচাদের বিশেষ ধরনের বাড়ি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। যাতে লেপচাদের সম্পর্কে সকলে জানতে পারেন সেকারণে এই বাড়িটি এখানে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। কোনও রকম পেরেক বা ধাতব যোগ ছাড়াই তৈরি হয়েছে। ভূমিকম্পেও নষ্ট হবে না এমন বাড়ি তৈরি করা হত সেসময়। সেই বাড়ি দেখতে অবাক হয়ে যাবেন সকলে।
এই তুরিয়কের হোমস্টে অত্যন্ত সাদামাঠা। নেই কোনও আতিশয্য নেই। পাহাড়ি কাঠের বাড়িতেই সাধারণ ঘরে থাকার জায়গা। গ্রামের চারদিক জুড়ে রয়েছে জঙ্গল। জঙ্গল পেরিয়ে পৌঁছতে হয় শিব মন্দিরে। তার গা ঘেঁসে চলে গিয়েছে একটি পাহাড়ি ঝরনা। গ্রামবাসীরা এখানে ভক্তিভরে পুজো করে যান। দার্জিলিং থেকে তুরিয়কের দূরত্ব ২৯ কিলোমিটার। আর শিলিগুড়ি থেকে দূরত্ব ৫৪ কিলোমিটার। কার্শিয়ং থেকে মাত্র ১৯ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই তুরিয়ক গ্রামটি।
এই তুরিয়ক থেকে ঘুরে নেওয়া যায় দার্জিলিং, মহলদারা, সিটং, ঘুম , বাগোরা, কার্শিয়াং সহ একাধিক পর্যটন কেন্দ্র। কাজেই এখান থেকে অনায়াসেই একাধিক জায়গা ঘুরতে পারবেন । মিস হবে না কোনও কিছুই । যাঁরা এখনও অফবিট কোনও লোকেশনের সন্ধানে রয়েছেন তাঁরা চলে আসতেই পারেন এখানে।












Click it and Unblock the Notifications