Travel: খুব খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের বেড়ানোর সেরা ৭ ঠিকানা জেনে নিন
বাঙালি মাত্রই ভোজন রসিক। একটু পেটপুরে ভালোমন্দ খেতে ভালবাসে। তা সে দেশিই হোক আর বিদেশি। তাই যাঁরা খুব খেতে ভালবাসেন তাঁরা যে বেড়াতে গিয়েও ভালমন্দ খেতে চাইবেন সেটা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
এমন ভোজন রসিকরা কিন্তু কোনও ভাবেই এই সাতটি জায়গা মিস করবেন না। বেড়াতে যাওয়ার মনস্থ করলে এই সাতটি জায়গা অবশ্যই ঘুরে আসবেন। প্রথমেই যে জায়গার নাম আসে সেটি রাজধানী দিল্লি। রাজধানী দিল্লি খাদ্য রসিকদেরও রাজধানী বললে ভুল হবে না। বিশেষ করে দিল্লির চাঁদনি চক। বিরিয়ানি, কাবাব, মিষ্টি, চাট কি নেই সেখানে।

তারপরেই যে জায়গার নাম করতে হয় সেটি উত্তর প্রদেশের লখনউ। গলৌটি কাবাবের জন্মস্থল তার সঙ্গে লখনউয়ের নবাবি বিরিয়ানি। নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসার জোগার। কাজেই লখনউ আর দিল্লি হল নবাবি খানাপিনার সেরা ঠিকানা। আর এই নবাবি খানাপিনার তালিকায় আবার রয়েছে দক্ষিণের রাজ্য হায়রাবাদও।
হায়দরাবাদি বিরিয়ানি, ফালুদা থেকে ইরানি চা। একেবারে খাবারের ভান্ডার বললে ভুল হবে না। আর দক্ষিণে যাঁরা গিয়েছেন তাঁরা অবশ্যই মাইসোর পাকের কথা শুনেছেন। কাজেই সেটা মিস করলে চলবে না। দক্ষিণি ইডলি, ধোসা, বড়া, মাইসোর পাকের স্বাদ নিতে চেন্নাইয়ে ঢুঁ মারতেই হবে।
তারপরেই যে জায়গায় না আসলেই নয় সেটা রাজস্থান। জয়পুরের বিখ্যাত জোহরি বাজারে পাওয়া যাবে সব রাজস্থানী ঘরানার খাবার, ডালবাটি চুরমা,রাজ কচুরি থেকে শুরু করে রকমারি পুরী পেঁয়াজ কচুরি। তার সঙ্গে রাজস্থানী মিষ্টি। এর পরে আরেকটু এগিয়ে চলে আসুন পাঞ্জাবের অমৃতসর। সেখানে স্বর্নমন্দির সংলগ্ন এলাকায় পাঞ্জাপি খানাপিনার যেন মেলা বসে থাকে। রকমারি পরোটা, লস্যি মিস করা একেবারেই যাবে না।
সব শেষে বলতে গেলে বলতে হয় উত্তরপূর্বের রাজ্যের কথা। তার জন্য আসতে হবে আমাদের কালিম্পং-সিকিমে। রকমারি মোমো, থুপ্পা, থুককা, নুডলস কি পাওয়া যা না গ্যাংটক, কালিম্পংয়ে। আবার শিলংয়েও চলে আসতে পারেন এই সব খাবারের স্বাদ নিতে। বেড়ানো সঙ্গে খানাপিনা দুটোই জমে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications