Travel: হাতির ডাক ভেসে আসে এখানে, সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছেই এই ওঁরাও গ্রামে
পাহাড়-সমুদ্রে ছুটি কাটাতে কাটাতে একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই আদিবাসী গ্রামে। মাগুরমারি। নামটা অদ্ভুত শোনালেও জায়গাটি কিন্তু অসাধারণ। অ্যাডভেঞ্চারে ভরা একটা ছুটি কাটাতে চাইলে কলকাতার কাছে সেরা ঠিকানা এটাই।
ডুয়ার্সের কাঠামবাড়ি জঙ্গলের গা ঘেঁসেই রয়েছে এই ছোট্ট গ্রাম মাগুরমারি। মূলত ওঁরাও জনজাতির বাস এখানে। সেকারণে গ্রামজুড়ে আদিবাসীদের ছোঁয়া। উঁচু উঁচু কাঠের পিলারের উপরে তৈরি বাড়ি। যেমনটা ডুয়ার্সের অধিকাংশ গ্রামেই দেখা যায়। এখানেও সেই রকমই।

এখানে আকাশ গিয়ে মেশে অরণ্যে। চারিদিকে সবুজের সমাহার। গ্রামের বিস্তীর্ণ প্রান্ত সবুজ মখমলের মতো ঘাসে ভরে যায় বর্ষায়। বর্ষাকালে ডুয়ার্সের সব জঙ্গলের দরজা বন্ধ থাকে ঠিকই কিন্তু গ্রামের হোম স্টে গুলি কিন্তু খোলা থাকে। তাই বর্ষাকালে এখানকার হোমস্টেতে থাকা যায় অনায়াসেই। একেবারে জঙ্গলের গা ঘেঁসা গ্রাম মাগুরমারি। সেকারণে এখানকার সৌন্দর্য আরও দ্বিগুণ হয়ে যায়।
মাগুরমারি গ্রামের আরেকটি বিশেষত্ব হল জঙ্গলের পাশে হওয়া প্রায়ই এখানে হাতি চলে আসে। রাত-বিরেতে হাতির ডাকও শোনা যায়। কাজেই রাতের অন্ধকারে মাগুরমারির অ্যাডভেঞ্চার আরও বেশি। সেসময় একটা গা ছমছমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। কাজেই সপ্তাহান্তের ছুটিতে এখানে বেড়াতে আসলে আলাদা একটা অভিজ্ঞতা নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন সকলে। তবে এখানে আসতে গেলে আগে থেকে হোম স্টে বুক করে নেওয়াই ভাল।

মাগুরমারিতে থাকার সুবাদে ওঁরাও উপজাতিদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারা যায়। এই সম্প্রদায়ের নাচ-গান আসর জমিয়ে দেবে। মাগুরমারিতে আবার একটি ঝিলও রয়েছে। এখানে সারাবছরই পাখিদের আনাগোনা। নামজানা হরেক পাখির ভিড় এখানে দেখা যায়। এনজেপি থেকে ৪৭ কিলোমিটার দূরে মাগুরমারি। সরাসরি গাড়ি ভা়ড়া করে যাওয়া যায়। আবার ওদলাবাড়ি রেলস্টেশন থেকেও গাড়িতে যাওয়া যায় মগুরমারি।












Click it and Unblock the Notifications