Travel:কোথাও এলাচ বাগান কোথাও কমলা বাগান, মুদ্ধ করবে দার্জিলিংয়ের এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম
হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তারপরেই শুরু হয়ে যাবে দুর্গাপুজো। পুজোর আনন্দে মেতে উঠবেন সকলে। কেউ ছুটবেন বেড়াতে তো কেউ প্যান্ডেল হপিং। বেড়াতে যাঁরা বেশি আগ্রহী তাঁদের কাছে রইল দার্জিলিংয়ের কাছেই এক অফবিট লোকশনের সন্ধান।
লিংডিং। ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রাম লিংিডন। অফবিট লোকেশন। চাষাবাদই এই গ্রামের বাসিন্দাদের প্রধান জীবিকা। রংলি চা-বাগানের তিন কিলোমিটার মধ্যেই পড়ে এই গ্রামটি। শিলিগুড়ি থেকে তার দূরত্ব ৬৫ কিলোমিটার। পৌঁছতে ঘণ্টা খানেক সময় লাগে। গ্রামজুড়ে কোথাও না কোথাও সবজি চাষ হচ্ছে।

যাঁরা পাহাড় ঘুরতে ভালবাসেন তাঁরা রাই শাকের কথা খুব ভাল করে জানেন। এই গ্রামে রাই শাকের চাষ হয়। তেমনই হয় আদা, হলুদ, এলাচের চাষ। বেশ কিছুটা জায়গা জুড়ে রয়েছে এলাচ গাছের বাগান। রয়েছে কমলালেবুর বাগানও। অক্টোবর মাসে সেখানে গেলে গাছে গাছে সবুজ কমলালেবু ধরে আছে গাছে দেখা যায়। সেই সঙ্গে রয়েছে অসংখ্য ফুলের বাগান। নাম না জানা সব পাহাড়ি ফুল ফুটে থাকে এখানে।
বিভিন্ন ধরনের অর্কিট দেখতে পাওয়া যায় এখানে। অক্টোবর মােস আরও সুন্দরী হয়ে ওঠে গ্রামটি। চারিদিকে নিস্তব্ধতা। তার সঙ্গে ফুলের বাহার। পাখির ডাক। এখানে খুব বেশি হোম স্টে নেই। সাদামাঠা এখানকার হোমস্টে গুলি। কোনও আদিশয্য নেই। কাঠের আগুনে দেশি মুরগির ঝোল কবজি ডুবিয়ে খেয়ে কম্বল মুড়িদিয়ে ঘুম দিন। কাকভোরে উঠে দেখবেন যেন কোনও এক স্বর্গে পৌঁছে গিয়েছেন।

এই গ্রামের পাশ দিয়েই চলে গিয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পং যাওয়ার রাস্তা। গ্রাম খেকে তেমন কোনও ঘোরার জায়গায় যাওয়া না থাকলেও গ্রামের রাস্তায় ঘুরতেই অসাধারণ লাগে। তবে কাছেই রয়েছে তাকদা। এখান থেকে দার্জিলিং বা কালিম্পং অনায়াসে ঘুরে আসা যায়। যাঁরা দার্জিলিং যাচ্ছেন তাঁরা একটা দিন অনায়াসেই এখানে কাটিয়ে যেতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications