Travel: হালকা শীতের আমেজ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন একেবারে অফবিট পাহাড়ের এই তিন জায়গায়
হালকা ফুরফুরে শীতের আমেজ পড়তে শুরু করেছে। বাইরে বেশ হালকা হালকা ঠান্ডার আমেজ। কলকাতায় একেবারে যাকে বলে মনোরম আবহাওয়া। আর এই আমেজে বেড়ানোর সেরা জায়গা উত্তরবঙ্গের এই তিনটি অফবিট লোকেশন।
সামনেই আসছে দীপাবলি। সেই সময় আবহাওয়া আরও মনোরম হয়ে উঠবে। আর দেরি না করে এখনই ঠিক করকে ফেলুন কোথায় যাবেন। বেড়িয়ে আসু কালিম্পংয়ের কাছেই কয়েকটি অফবিট লোকেশনে। প্রথমেই তার জন্য নাম করতে হয় সামথারের কথা। কালিম্পংয়ের কাছেই একেবারে অফবিট একটা ছোট্ট জনপদ। যেখান থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘার ক্লিয়ার ভিউ পাওয়া যায়।

সামথার একেবারে সাজানো গোছােনা ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। এখানকার হোম স্টেগুলিও অসাধারণ। শিলিগুড়ি থেকে সামথারে পৌঁছতে ৩ থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। একেবারে অচেনা একটা জায়গা। এখানকার ইউএসপি হল কাঞ্চনজঙ্ঘার ভিউ। গোটা রেঞ্জটাই দেখা যায়। অর্থাৎ সকালে রওনা দিলে এখানে পৌঁছতে মোটামুটি দুপুর হয়ে যাবে। দুপুরে হোমস্টেতে বলে মধ্যাহ্ন ভোজন সেরে দুচোখ ভরে দেখে নিন কাঞ্চনজঙ্ঘার ভিও।
অক্টোবর মাসে এখানে থেকে সবচেয়ে ভাল কাঞ্জনজঙ্ঘার দর্শন মেলে। পরের দিন সকালে হোমস্টের বারান্দা থেকে দুচোখ ভরে দেখে নিন পাহাড়ের সম্মোহন। ব্রিকফাস্ট রেসে গ্রামটা পায়ে পায়ে ঘুরে নিতে পারবেন। গ্রামের মধ্যেই রয়েছে একটা ছোট্ট চার্য। সপ্তাহে তিনদিন এখানে প্রার্থনা হয়।
পাহাড়ের গা ঘেসে চলে গিয়েছে রাস্তা। গ্রামের মাঝেই রয়েছে একটা সুন্দর ভিউ পয়েন্ট। সেখান থেকেও অসাধারণ উপত্যকা দেখা যায়। দূরে বয়ে গিয়েছে সামথার খোলা নদী। তারপরে এখান থেকে চলে আসুন পানবুদারা। এটি একটি ভিউ পয়েন্ট। অনেকেই জােনন পানবু ভ্যালির কথা। দূরে দেখা যায় করোনেশন ব্রিজ আর তিস্তা।
সামথারের একদিকে পানবু দারা আরেক দিকে লামা দারা। অনায়াসে এই তিনটি জায়গায় ঘুরে আসতে পারেন। পানবুদারার কাছেই রয়েছে অনেকগুলি অফবিট পর্যটন কেন্দ্র। কাজেই েদখে আসুন একাধিক জায়গা থেকে এই সময় পাহাড়ে ঘোরার সেরা সময়। কারণ এই সময় আকাশ একেবারে পরিস্কার থাকে। যার জন্য কাঞ্জনজঙ্ঘা পরিস্কার দেখায়।












Click it and Unblock the Notifications