কেরলের থেকে কোনও অংশে কম নয়, বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছে এই জায়গায়

কলকাতার কাছেই রয়েছে কেরলের মত পর্যটনের জায়গা

মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক শেষ না হলেও স্কুলের পরীক্ষা আর কয়েকদিন পরেই শেষ হয়ে যাবে। এবার এই ছুটিতে আর দিঘা-পুরী নয় বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছেই মিনি কেরলা থেকে। হাতে ২ থেকে ৩ দিনের ছুটি থাকলেই হল। কবে এখানে গেলে সহজে ফিরে আসতে চাইবেন না। মনে করিয়ে দেবে কেরলের মুন্নারের কথা। এতটাই সুন্দর এখানকার প্রকতি।

কলকাতার কাছেই মিনি কেরালা

কলকাতার কাছেই মিনি কেরালা

কেরালা মানেই ব্যাকওয়াটার্সের কথা সকলের মনে আসে। কিন্তু এই কেরালা মনে করিয়ে দেবে মুন্নারের কথা। কেরলের মুন্নার আসলে একটি হিলস্টেশন। অদ্ভুত সুন্দর সেই পাহাড়ি উপত্যকা। ব্যাক ওটার্স থেকেও নাকি মনোরম এই মুন্নার। আমাদের রাজ্যেও রয়েছে সেরকমই একটা জায়গা। তার নাম ইচ্ছে গাঁও। উত্তরবঙ্গের একেবারে অফবিট লোকেশন। এখনও তেমন ভাবে জনপ্রিয় হয়নি। সেকারণে পর্যটকদের খুব একটা ভিড় এখনও হয়নি এখানে। সবথেকে বড় কথা কলকাতা থেকে খুব একটা দূরে নয় এই ইচ্ছে গাঁও।

কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

কলকাতা থেকে ইচ্ছে গাঁও যেতে সময় লাগে ১৫ ঘণ্টা। অবশ্যই ট্রেনে। তারপরে গাড়িতে। এনজেপি স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রথমে যেতে হবে কালিম্পং। তারপরে কালিম্পং থেকে রামধুরাগামী গাড়িতে চড়ে পড়লেই পৌঁছে যাওয়া যাবে ইচ্ছে গাঁওয়ে। অনেকে এনজেপি থেকেই গাড়ি করে সোজা ইচ্ছে গাঁওয়ে পৌঁছে যান। অনেকগুলি হোম স্টে রয়েছে ইচ্ছে গাঁওয়ে। তবে সেটাও অনেক বললে ভুল হবে ২ তিনটে হোম স্টে। তাতেও খুব কমই পর্যটকরা আসেন।

ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম

ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম

ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রাম ইচ্ছে যাঁও। যেখান থেকে স্লিপিং বুদ্ধাকে দেখা যায়। অত্যন্ত মনোরম তার পরিবেশ। গ্রামের রাস্তায় ঘোরা ফেরা , হাঁটাহাঁটি করেই দিনের বেশিরভাগটা কেটে যাবে। পাহাড়ি মানুষের জীবন যাত্রা দেখতে দেখতে কখন ঝুপ করে অন্ধকার নেমে যাবে । কাছেই রয়েছে ইচ্ছে গাঁও ফরেস্ট। যেখা আরও সুন্দর। পাহাড়ি জঙ্গলে ঘোরার মজাই আলাদা। ইচ্ছে গাঁওয়ের কাছেই রয়েছে মঙ্গলধাম মন্দির, কালিম্পং সায়েন্স সেন্টার, হনুমান মন্দির।

সিলেরিগাঁওয়ে ট্রেকিং

সিলেরিগাঁওয়ে ট্রেকিং

ইচ্ছে গাঁও থেকে অনেকে সিলেরিগাঁও ট্রেকিং করে যান। ইচ্ছে গাঁওয়ে হরেক রকমের অর্কিেডর দেখা পাবেন। ইচ্ছে গাঁওয়ের সৌন্দর্যই মন ভুলিয়ে দেবে। এখানকার গ্রামীণ মানুষের সহজ সরল জীবন যাত্রা আরও সুন্দর।ফিরতে ইচ্ছে করবে না। মনে হবে আরও কয়েকটা দিন সেখানে কাটিয়ে যেতে। ট্রেকারদের পক্ষে আদর্শ জায়গা এই ইচ্ছে গাঁও। তাঁরা ইচ্ছে গাঁও ফরেস্ট থেকেই ট্রেকিং করে ইচ্ছে গাঁওয়ে পৌঁছে যান।

বসন্তের রং এখানে সত্যিই লাল, হোলির ছুটিতে মন ভরিয়ে দেবে কোঁকরাঝাড়

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+