Travel: সাদা বালির সমুদ্র সৈকত দেখেছেন? কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা
বাইরে মেঘের ঘনঘটা। এই সময় সপ্তাহান্তে বেড়ানোর সেরা জায়গা সমুদ্র। ঝিরঝিরে বৃষ্টির মাঝে সমুদ্রের উথাল পাথাল ঢেউ উপভোগ করার চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না। কিন্তু দিঘা পুরী তো এক ঘেয়ে। ভিঁড়ে ঠাসা। সেখানে ভিঁড়ের মধ্যে হাঁপিয়ে উঠতে হয়।
কিন্তু কলকাতা শহরের একেবারে কাছেই রয়েছে এমন একটি জায়গা যেখানে একেবারে নির্ঝঞ্ঝাট ফাঁকা সৈকত। রয়েছে সাদাবালির সমুদ্র সৈকতও। লালকাঁকড়া হামাগুড়ি দিয়ে যায় সেখানে। তবে এটি ধুবলাগাড়ি সৈকত নয়। এটি একেবারে অফবিট লোকেশন। তার জন্য শালিমার এক্সপ্রেসে চলে আসতে হবে যমুনাসুল সৈকতে।

বাস্তা স্টেশন থেকে যাওয়া যায় এই সৈকতে। ওড়িশার বাস্তা স্টেশন থেকে গাড়িতে চলে আসুন যমুনাসোলে। আবার অটো করেও যাওয়া যায় সেখানে। ওড়িশার একেবারে অফবিট সমুদ্র সৈকত এই জায়গাটি। কাছেই রয়েছে থাকার জায়গা। সারি সারি ঝাউবনের মাঝে নির্জন সৈকত।
পড়ন্ত বেলায় আরও অসাধারণ লাগে এই সৈকত। সৈকতে কোথাও কোথাও বেঁধে রাখা হয়েছে নুলিয়াদের ডিঙি। একেবারে পরিচ্ছন্ন সৈকত এটি। চারিদিকে লাল কাঁকড়ার ভিঁড়। তারা নিজেদের মতো ঘুরে বেড়ায় সৈকতে। কারোর পায়েস শব্দ পেলেই টুক করে ঢুকে পড়ে নিজের ডেরায়। সেখানে গেলে মন ভরে যাবে। সকালের সৌন্দর্য আরও সুন্দর।

আবার কিছুদূর যেতেই দেখা মিলবে কাশফুল। শরৎ যে এসে গিয়েছে তা বুঝিয়ে দেবে এই সৈকতের কাছেই আরেকটি অফবিট জায়গা। সাদা বালিয়াড়ির সৈকত কাসাফল। সূর্যের আলো পড়ে চিকচিক করে এখানকার সৈকত। এখানেই নির্জন সৈকত। সারাটা দিন এখানে কাটিয়ে দেওয়া যায়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ কাটিয়ে ফিরে আসা যায়। ২ দিনের ঝটিকা সফরে বেড়িয়ে আসাই যায়।












Click it and Unblock the Notifications