Travel: একসঙ্গে পাহাড়-জঙ্গল-ঝরনা দেখতে চান, একদিনের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গায়
কলকাতার একেবারে কাছেই পাহাড়-জঙ্গল-ঝরনা তিনের সহাবস্থান। একদিনের ছুটিতেই সেখানে ঘুরে আসা যায়। যার দূরত্ব কলকাতা থেকে মাত্র তিন ঘণ্টা। কোথায় রয়েছে সেই জায়গা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন। সকালে গিয়ে রাতেই বেড়িয়ে ফিরে আসা যায়।
একেবারেই কম খরচে এখান থেকে বেড়িয়ে আসা যায়। হাওড়া থেকে সোজা ট্রেনে করে চলে আসুন ধানবাদে। হাওড়া থেকে ভোরে ছাড়ে রাজগীর শতাব্দী এক্সপ্রেস। ধানবাদ স্টেশন থেকে গাড়ি বুক করে নিন। ধানবাদকে ভারতের কয়লার রাজধানী বলা হয়। এই শিল্প শহরের মধ্যেই রয়েছে অসম্ভব সুন্দর কতগুলি দেখার জায়গা।

ধানবাদের কাছেই রয়েছে ভাতিন্ডা জলপ্রপাত। ৫০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে ঢুকে পড়ুন সেখানে। ধানবাদ স্টেশন তেকে ১৭ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে েসই জায়গা। বর্ষার জলে আরও ফুলে ফেঁপে উঠেছে এই ভাতিন্ডা জলপ্রপাত। তাই এই সময় সেখানকার সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। যদিও গরম কাল ছাড়া সারাবছরই এখানে আসা যায়।
এখান থেকে আবার বেড়িয়ে পরুন তোপচাচি ড্যাম দেখার জন্য। ভাতিন্ডা জলপ্রপাত কেন্দ্র থেকে এই তোপচাচি ড্যাম যেতে সময় লাগে ১ ঘণ্টা মতো। এই জলাধারে যাওয়ার রাস্তা অসাধারণ। সেখানে টিকিট কেটে ঢুকতে হয়। ভেতরো ঢোকার রাস্তাটি অসাধারণ। এঅনেকে এখানে শ্যুটিং করতেও আসেন। তোপচাচি জলাধারও বর্ষাকালে অসাধারণ দেখায়। পরেশনাথ পাহাড়ে কোলে রয়েছে এই তোপচাচি জলাধার।

তোপচাচিতেই রয়েছে মহানায়ক উত্তর কুমারের বাড়ি। এখানে থাকার জন্য বাড়িটি কিনেছিলেন। সেটা অবশ্য পরে বিক্রি হয়ে যায়। তোপচাচি থেকে সেই বাড়িটিও দেখে নিতে পারেন। এর পরে চলে আসুন উশ্রী জলপ্রপাতের কাছে। এই জলপ্রপাতের নাম আগেও অনেকে শুনেছেন। কিন্তু এখানকার অসাধারণ সৌন্দর্য অনেকেউ উপভোগ করেননি এখনও। উশ্রী ফলসে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে ফিরে আসুন ট্রেন ধরে। রাতের মধ্যে বাড়ি পৌঁছে যাবেন।












Click it and Unblock the Notifications