রাম মন্দির দেখতে ছুটছেন সকলে, ঘুরে আসুন অযোধ্যার এই অচেনা জায়গা
অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ঘনিয়ে আসছে। ২২ জানুয়ারি ৫০০ বছরের প্রতিক্ষার অবসান হবে। রাম মন্দিরের দরজা খুললেই অযোধ্যায় যাওয়ার হিড়িক পড়বে। ইতিমধ্যেই অনেকে প্ল্যানিং শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু অযোধ্যার রাজা রাম কোথায় জলসমাধি নিয়েছিলেন জানেন কি।
অনেকেই জানেন না সেই স্থানের কথা। অথচ অযোধ্যার কাছেই রয়েছে সেই পুণ্যস্থান। অযোধ্যার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সরযূ নদী। আর সরযূ নদী বয়ে গিয়েছে ফৈজাবাদের উপর দিয়ে। সেই ফৈজাবাদেই রয়েছে সেই ঘাট যার নাম গুপ্তার ঘাট। এই নদীর ঘাটে বসেই ধ্যান করতেন অযোধ্যার রাজা রাম। এবং এই ঘাটেই জল সমাধি নিয়েছিলেন তিনি।

অযোধ্যা এবং তার সংলগ্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য মন্দির। অযোধ্যার মূল রাম মন্দির তো রয়েইছে। সেই সঙ্গে রয়েছে সীতা-রাম মন্দির, চক্রহরি স্থান, নরসিংহ মন্দির। এই গুপ্তার ঘাটে পুণ্যস্নান করলে নাকি স্বর্গ প্রাপ্তি হয়। কারণ স্বয়ং শ্রীরাম এই ঘাটে জল সমাধি নিয়ে বৈকুণ্ঠ ধামে ফিরে গিয়েছিলেন।
এই ঘাটটিকে সাজিয়ে তুলেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। এখানে নৌকা বিহারের বন্দোবস্ত রয়েছে। রয়েছে একাধিক ওয়াটার স্পোর্টসের বন্দোবস্ত। এমনকী পুজো দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। এই ঘাটটি থেকে অযোধ্যার মন্দির যাওয়ার পথের নাম দেওয়া হয়েছে লক্ষ্মণ পথ। চার লেেনর রাস্তা তৈরি করা হয়েছে এই ঘাট থেকে। কাজেই যাঁরা অযোধ্যায় দর্শনে যাবেন বলে পরিকল্পনা করে চলেছেন তাঁদের জন্য রইল এই নয়া ডেস্টিনেশন।
আর তিন দিনের অপেক্ষা তারপরেই খুলে যাবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের দরজা। আজই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিস্থাপিত হয়েছের রামের মূর্তি। তারপরে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগের আচার অনুষ্ঠান। তিনদিন ধরে চলবে সেটা তারপরে অভিজিৎ মুহূর্তে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার মূর্তিতে।












Click it and Unblock the Notifications