Travel: মহানবমীতে জগদ্ধাত্রী পুজোর ভিড় এড়াতে চান, ঘুরে আসুন শহরের এই বাড়ির পুজো
আজ জগদ্ধাত্রী পুজোর মহানবমী। সকাল থেকে চন্দননগরে জনজোয়ার। বেলুড় মঠেও ভিড় করেছেন দর্শনার্থীরা। সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে পুজো। অনেকেই জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে চান কিন্তু চন্দরনগরের ভিড়কে ভয় পান। সেকারণে অনেকেই যেতে যান না সেখানে। কিন্তু যাঁরা জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে চান তাঁরা ঘুরে আসতে পারেন কলকাতার এই বনেদি বাড়িতে।
বউবাজারে রয়েছে সেই বনেদিবাড়ির পুজো। অনেকেই আজই একই দিনে তিনদিনেরক পুজো করে থাকেন। কলকাতায় বেশিরভাগ জায়গায় একদিনেই জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। বৌবাজারের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের কাছে বা লেবুতলা পার্কের কাছে ১০৫/২ সার্পেন্টাইন লেনে এই মন্দিরটিতেও একদিনে হয় পুজো হয়।

যদিও বাইরে থেকে দেখলে বোঝা যায় না এই বাড়ির ভেতরে একটি মন্দিরও রয়েছে। তবে সকাল এবং সন্ধে বেলা খোলা থাকে দরজা। বাকি সময় বন্ধ থাকে। সিংহ দরজার মাঝখান দিয়ে গিয়েছে প্রবেশ পথ
মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন কেদারনাথ কর্মকার। পরে যিনি দাস পদবী নিয়েছিলেন। ১২৯৪ বঙ্গাব্দের ১২ ই মাঘ পূর্ণিমা তিথিতে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। সেদিক থেকে দেখতে গেলে মন্দিরটির বয়স ১০০ বছরেরও বেশি।
মন্দিরটি একতলা। উঠোনের ডানদিকে আর বাম দিকে থামযুক্ত বারান্দা আর ঘর। আর উঠোনের পূর্বদিকে সামনে বারান্দা আর পেছনে গর্ভগৃহে ঘোড়ামুখ সিংহের ওপর উপবিষ্টা মা জগদ্ধাত্রী । কষ্টি পাথরের তৈরি মূর্তিটি এবং পশ্চিমমুখী। মন্দিরের প্রতিটি থাম কারুকার্য শোভিত। গর্ভগৃহের দেওয়ালেও রয়েছে রঙিন ফুল, লতাপাতার নকশা।
গর্ভগৃহের বারান্দার সামনে উঠোনের ওপর উঁচু বেদীর ওপর রয়েছে দুটি ডানাওয়ালা পরীর মূর্তি। তারা এক হাত নিজের পোশাক সামলাতে ব্যস্ত, আরেক হাতে উঁচু করে ধরে আছে মশাল।
মন্দিরটি এতোটাই পরিচ্ছন্ন যে সেখানে বসে থাকতে ইচ্ছে করবে। মন্দিরের উঠোনটিও চকচকে কালো আর সাদা পাথরে বাঁধানো। মন্দিরটিতে বনেদিয়ানার স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। এখনও এই মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন প্রতিষ্ঠাতার বংশধরেরা












Click it and Unblock the Notifications