Travel: গাড়ি নেই-ঘড়িও নেই, লাক্ষাদ্বীপের হুজুগ এড়িয়ে একান্তে সময় কাটাতে যাবেন নাকি এই দ্বীপে
এখন টেক স্যাভি সকলেই। মোবাইল আর ইন্টারনেট ছাড়া এক ঘণ্টা কাটানোও সকলের কাছে বিভিষীকা। শুধু বিনোদন নয় মানুষের দৈনন্দিন কাজের অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল। অনেক সময় আবার মোবাইল হয়ে ওঠে মানসিক যন্ত্রণার কারণ। বেড়াতে গেলেও মোবাইল আর সেলফি তোলার হিড়িক।
নিশ্চুপে-নিঃশব্দে যে সেই জায়গাটি কেউ উপভোগ করবেন তার অবসর নেই। এদিকে অবসর যাপনে যাচ্ছেন সকলেই। এই মোবাইল নির্ভর আর যন্ত্রনির্ভরতা থেকে অবসর নিতে চাইলে চলে আসুন এই দ্বীপে। যেখানে নেই কোনও গাড়ি নেই কোনও ঘড়ি। সময়ের হুড়কো তাড়া করবে না আপনাকে।

ভাবছেন এমন জায়গা আবার আছে নাকি এখন। শুনলে অবাক হবেন সত্যিই রয়েছে। এবং সেটা ভারতের বাইরে অবশ্যই তবে ভারত থেকে খুব বেশি দূরেও নয়। খুব সম্প্রতি আইল্যান্ড ট্যুরিজিমের মাতুনি শুরু হয়েছে। সকলেই চাইছেন লাক্ষাদ্বীপ যেতে । এই জায়গাটিও একটি দ্বীপে। কিন্তু সেই দ্বীপ ভারতে নয়। রয়েছে ইংলিশ চ্যানেলে। ছোট্ট একটা দ্বীপ।
এখানে নেই কোনও গাড়ি। নেই কোনও ঘড়ি। নেই কোনও ভিড়। একেবারে টেনশন ফ্রি হয়ে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে এই দ্বীপটির বিকল্প কোনও জায়গা নেই। কয়েকটা দিন একেবারে আউট অব রিচ হয়ে যাবেন। এই দ্বীপে রয়েছে একটি মাত্র হোটেল। দ্বীপটির বিস্তৃতি মাত্র ১.৩৫ মাইল।
লন্ডন থেকে মাত্র ১৫ মিনিটের উড়ানে এখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। দ্বীপটির নাম হার্ম। এখানে একদিকে সমুদ্র আরেক দিকে পাহাড়। সমুদ্রে ডলফিনের খেলা উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। ব্রিটিশ কান্ট্রি সাইড যেমন হয় ঠিক তেমন এই জায়গাটি। খুব সীমিত সংখ্যক লোকের বাস এই দ্বীপে। এখানে রয়েছে মাত্র দুটি পাব। একটি হোটেল। একটি ফায়ারস্টেশন। একটি প্রাইমারি স্কুল। আর তাতে পড়াশোনা করে মাত্র ৪জন পড়ুয়া।
একেবারে রিল্যাক্সিং ছুটি কাটাতে চাইলে এই দ্বীপ সেরা। খুব একটা গরমও নেই আবার খুক একটা ঠান্ডাও এই দ্বীপে থাকে না। এই সময় একেবারে পারফেক্স আবহাওয়া। এখানে গরম থাকে ৬ সপ্তাহ মাত্র। আর সেই সময় পর্যটকদের আাগোনা বাড়ে। একে ব্রিটেনের হিডন প্যারাডাইস বললে ভুল হবে না। কাজেই যাঁরা লাক্ষাদ্বীপের হিড়িকে সামিল হয়েছেন তাঁরা এখানেও ঘুরে আসতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications