Travel: লোকনাথ বাবা নাকি এই মন্দিরে পুজো করতেন, সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন ৭৫০ বছরের প্রাচীন মন্দিরে
কলকাতার একেবারে কাছেই রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন কাঁকড়া কালী মন্দির। যার নাম কাকড়া কালী মন্দির। বসিরহােটর কচুয়া লোকনাথ মন্দির থেকে মাত্র ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। আর লোকনাথ বাবার কচুয়া ধাম মন্দির থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। কাজেই এক যাত্রায় দুই তীর্থই দর্শন করার সুযোগ রয়েছে।
এই মন্দিরের প্রাচীন ইতিহাসও রয়েছে। শোনা যায় লোকনাথ বাবা নিজে নাকি এই মন্দিরে মায়ের পুজোর করতেন।
এই মন্দিরের সঠিক বয়স কত সেটা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারেন না কেউ। তবে স্থানীয়রা বলে থাকেন ৬৫০ থেকে ৭৫০ বছরের পুরনো এই মন্দির।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন এখানে পুজো দিলে নাকি মনস্কামনা পূর্ণ হয়। দূরদূরান্ত থেকে অনেকেই এখানে আসেন পুজো দিতে। মন্দিরের স্থাপত্য শৈলিও অনবদ্য। ১২টি শিবমন্দির এবং একটি কালী মন্দির রয়েছে এখানে। শতাব্দী প্রাচীন হওয়ায় একটা সময়ে মন্দিরের অনেক অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে অবশ্য এই মন্দির চত্ত্বরটি সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

নতুন করে মন্দিরের ভগ্নপ্রায় অংশগুলি গড়ে তোলা হয়েছে। ভক্তরা যাতে সুষ্ঠুভাবে পুজো দিতে পারেন তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। শোনা যায় নবাব আলিবর্দি খাঁর আমলে নাকি মন্দিরটি তৈরি হয়েছিল। সেসময় এলাকায় ডাকাতদের বড় উপদ্রব ছিল। গ্রামবাসীদের ডাকাতদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এই কালী মন্দির তৈরি করে সেখানে সমবেত হয়ে পুজো করা হত। সেই সঙ্গে এই মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে লোকনাথ বাবার ইতিহাসও।
সেকারণেই এই মন্দিরে আজও এলাকাবাসী শ্রদ্ধাভরে পুজো করেন। শিবরাত্রিতে এবং অমাবস্যায় এই মন্দিরে বড় করে মায়ের পুজো হয়। কলকাতার কাছেই এমন এক সুন্দর স্থাপত্য শৈলির মন্দির দেখার সুযোগ রয়েছে। সপ্তাহান্তের ছুটিতে একদিনেই বেড়িয়ে আসা যায় সেখান থেকে।












Click it and Unblock the Notifications