অযোধ্যা দর্শনে যাঁরা যাচ্ছেন তাঁরা ঘুরে আসতে পারেন এই জায়গাগুলিও
পর্যটকদের পাখির চোখে পরিণত হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ্য পূণ্যার্থী আসছেন অযোধ্যায়। রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার পরের দিনই ৫ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছিল অযোধ্যায়। যা ভ্যাটিকান সিটি এবং মক্কা শরিফের বার্ষিক পুণ্যার্থীর সংখ্যাকেও হারিয়ে দিয়েছিল।
তারপর থেকে সংখ্যাটা কিছুটা কমলেও সেটা ২ থেকে ৩ লক্ষের কাছাকাছিই ঘোরাঘুরি করছে। অর্থাৎ ভারতে যেকোনও পর্যটন কেন্দ্রকে হারিয়ে দিয়েছে অযোধ্যা। এতোসংখ্যক পুণ্যার্থী একদিনে বালাজি মন্দিরও দর্শন করতে যাননা। অনেকেই অবস্য বলছেন প্রথম প্রথম এই ভিড় হবে। পরে ধীরে ধীরে সেটা কমবে।

কাজেই যাঁরা এখনই অযোধ্যার ভিড়ে যেতে চান না তাঁরা ঘুরে আসতে পারেন দেশের এই ৫ তীর্থস্থানে। বিশেষ করে হাতে যখন তিনদিন সময় রয়েছে। প্রথমেই ঘুরে আসুন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির। অযোধ্যার হিড়িকে এখানে এবার একটু ফাঁকা হবে। অর্থাৎ ফাঁকায় ফাঁকায় দর্শন করতে পারবেন। দেশের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে একটি এই কাশীবিশ্বনাথ ধাম।
তারপরেই চলে আসুন হৃষিকেশ। একেবারে খরস্রোতা গঙ্গার পারে শান্ত পরিবেশে কাটিয়ে যান কটা দিন। হৃষিকেশকে যোগ সাধনার রাজধানীও বলা হয়ে থাকে। এখানে বিদেশিরাও আসেন যোগ শিখতে। গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর ত্রিবেণী সঙ্গমও রয়েছে এখানে।
এরপরে চলে আসুন বৃন্দাবনে। শ্রীকৃষ্ণের শৈশব-কৈশর- যৌবন কেটেছে যেখানে। সেই বৃন্দাবনে দেখে যান কৃষ্ণজন্মভূমি। যেখােন জন্মেছিলেন তিনি। কিন্তু বড়ো হয়েছিলেন বৃন্দাবনে যশোদার কাছে। ভজন-কীর্তনে কাটিয়ে যান কয়েকটা দিন।
তারপরে ঘুরে আসতে পারেন ওড়িশার পুরী থেকে। যেখানে জগন্নাথ রূপে বিরাজমান বিষ্ণু। যাকে দেশের একমাত্র জীবন্ত বিগ্রহ বলা হয়। এই জগন্নাথের বিগ্রহেই নাকি শ্রীকঋষ্ণের হৃদয় রয়েছে। সেকারণে ১২ বছর অন্তর নব কলেবর ধারণ করেন তিনি। এবং পুরনো বিগ্রহের বিধি মেনে দাহকার্য করা হয়ে থাকে।
সেখান থেকে চলে আসুন বুদ্ধ গয়ায়। বিহারের মহাবোধি মন্দিরে। বুদ্ধদেব যেখানে বিরাজমান। এই বুদ্ধগয়াকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রতিবছরই এখানে সব ধর্মের মানুষ আসেন। বুদ্ধদেবের শান্তির বানী এই বৌদ্ধ গয়ায় খোদাই করা রয়েছে। অত্যন্ত সুন্দর শান্ত পরিবেশ এখানে।












Click it and Unblock the Notifications