Travel: ২০২৪ সালে কোথায় বেড়াতে যাবেন প্ল্যান করছেন? তালিকায় রাখুন এই জায়গাগুলি না হলে মিস করবেন
২০২৪ সালে কোথায় বেড়াতে যাবেন তার প্ল্যানিং করতে শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। মোদী সরকারের বাজেটেও পর্যটনে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে অন্তর্বর্তী বাজেটে। সেই সঙ্গে পর্যটন ব্যবসায়ীদের বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
আবার লাক্ষাদ্বীপের উন্নয়নেও পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে বলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। মলদ্বীপের সঙ্গে ভারতের বিরোধিতার পর থেকে লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের হুজুগ দেখা গিয়েছে পর্যটকদের মধ্যে। কিন্তু লাক্ষাদ্বীপে এখনও সেই পরিকাঠামো তৈরি হয়নি। সেকারণে মোদী সরকার লাক্ষাদ্বীপকে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে।

এরই মধ্যে আবার দেশে নতুন পর্যটন কেন্দ্র অযোধ্যাকে কেন্দ্র করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। দিনে তিন থেকে আড়াই লক্ষ পূণ্যার্থীর সমাগম হচ্ছে সেখােন। কাজেই দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা নিতে শুরু করেেছ লাক্ষাদ্বীপ। আর বাঙালিরা তো বেড়াতে একেবারে সিদ্ধহস্ত। হাতে দু একদিন সময় পেলেই তাঁরা বেড়িয়ে পড়েন।
তবে শুধু এই জায়গাগুলিই নয় যাঁরা ২০২৪ সালে বেড়ানোর প্ল্যান করছেন তাঁদের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে অসংখ্য এমন জায়গা যেগুলিতে এখনও তেমনভাবে পর্যটকের সমাগম ঘটেনি। তেমনই একটি জায়গা হল হেমিস ন্যাশনাল পার্ক লাদাখ। দেশের উচ্চতম স্থােন অবস্থাত এই অরণ্য। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম বনাঞ্জল এই হেমিস ন্যাশনাল পার্ক। ৪৪০০ স্কোয়ার কিলোমিটার জুড়ে তার অবস্থান। এখানে ২০০ স্নো লেপার্ড রয়েছে। এছাড়াও তিব্বতি নেকড়ে, লাল শেয়াল, ইউরেশিয়ান ব্রাউন বিয়ার, হিমালয়ান মারমুট,নীলগাই, লাদাখের বন্য ভেড়ার মতো জন্তুর দেখা মেলে।
হিমালয়ের পাহাড়ের কোলেই রেয়েছে আরেকটি অসম্ভব সুন্দর অফবিট লোকেশন যার নাম সারমোলি। এটি উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত। উত্তরাখণ্ড মানেই সকলে জানেন চারধাম। কিন্তু এই সরমোলি একটু অফবিট জায়গা। এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ অসাধারণ সুন্দর। শান্ত সম্মোহিত পাহাড়ি উপত্যকা। ছবির মতো সুন্দর গ্রামাঞ্চল। তার সঙ্গে লোভনীয় সব খাবার।
এতো জায়গার মধ্যে লাক্ষাদ্বীপকে মিস করলে চলে না। খোদ মোদী সরকার যখন লাক্ষাদ্বীপকে পর্যটনের উপযোগী করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। ৩৬টি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে তৈির লাক্ষাদ্বীপ। তবে সবগুলিতে জনবসতি নেই। যেগুলিতে জনবসতি রয়েছে সেগুলিতেই কেবল পর্যটকদের যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। তারমধ্যে একটি কদমত দ্বীপ। যাকে দেখলে মনে বলে অবিকল মলদ্বীপ। নীল সমুদ্রে সাদা বালির সৈকত।
এরপরেই নাম করতে হয় উত্তর পূর্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ। অরুণাচল প্রদেশের দামরো গ্রামে একবার ঘুরে আসুন। মন ভাল হয়ে যাবে। আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অনেকেই অরুণাচল প্রদেশ যেতে চাইতেন না। এখন অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হয়েছে। গোটা গ্রামে মোট ৫০০ জন বাস করেন। এই গ্রামেই রয়েছে দেশের সবচেেয় দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতু। যেটি বাঁশ এবং দড়ি দিয়ে তৈরি।












Click it and Unblock the Notifications