Travel: আগ্রা নয় রয়েছে আরও এক তাজমহল, ফেব্রুয়ারির ছুটিতে ঘুরে আসুন সেই অচেনা ডেস্টিনেশনে
বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের এক আশ্চর্য বলা হয়ে থাকে আগ্রার তাজমহলকে। কিন্তু জানেন কি আরও একটি তাজমহল রয়েছে ভারতে। সেটি রয়েছে রাজস্থানে। অনেকেই জানেন না সেই জায়গার কথা। যদিও এই জায়গাটির নাম যশবন্ত থাডা।
এটিও একটি স্মৃতি সৌধ। তবে এটা তৈরি করেছিলেন রাজপুতরা। কোনও মুঘল শিল্পের ছোঁয়া এখানে পাওয়া যায় না। এই স্মৃতি সৌধে রাজপুত রাজপরিবারের সদস্যরা তাঁদের আপনজনকে শেষবিদায় জানিয়ে যান। অসম্ভব সুন্দর এই স্মৃতি সৌধ। তার বিস্তৃতিও অনেকটা। তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে রয়েছে স্মৃতি সৌধটি। যেখানে রাজপুর রাজ পরিবারের প্রিয় সদস্যদের সমাধি সৌধ রয়েছে। জানেন কি তার মধ্যে একটি সৌধ রয়েছে একটি ময়ূরের।

মেবারের মহারাজা যশবন্দ সিংয়ের অত্যন্ত প্রিয় পোষ্য ছিল এই ময়ূরটি। তার মৃত্যুর পর এই স্মৃতি সৌধটি সেখানে তৈরি করা হয়েছিল। রাজস্থানের যোধপুরে রয়েছে এই যশবন্ত থাডা। যাকে মেবারের তাজমহল বলা হয়ে থাকে। ১৮৯৯ সালে মেবারের রাজা সর্দার সিং তাঁর বাবা মহারাজা যশবন্ত সিং দ্বিতীয়-র স্মৃিততে এই সৌধটি তৈরি করেছিলেন। মার্বেল পাথরের তৈরি এই সৌধটি তাজমহলকে টেক্কা দেওয়ার মতো ক্ষমতা রাখে। সূর্যে আলো যখন এই শ্বেত পাথরের যশবন্ত থোডার উপরে পড়ে তখন দর্শকরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যাবেন।
এই যশবন্ত থোডাকে এক কথা রায় পরিবারের শশ্মান বললে ভুল হবে না। কারণ একদিকে যেমন এখানে রাজ পরিবারের সদস্যেদের স্মৃতি সৌধ রয়েছে। আরেকদিকে এখানে রাজপরিবারের সদস্যদের দাহ করা হয়ে থাকে। একাধিক সৌধ একাধিক রাজা এবং রাজকুমারদের নামে রয়েছে। তার মধ্যেই রয়েছে ময়ুরের সমাধি। রাজা যশবন্দ সিং দ্বিতীয় যখন মারা যান তখন তাঁকে দাহ করার সময় তাঁর প্রিয় ময়ুরটি নাকি চিতায় আত্মাহুকতি দিয়েছিল।
যাঁরা রাজস্থানে বেড়াতে যাচ্ছেন ফেব্রুয়ারি মাসে বা যাবেন বলে ভাবছেন তাঁরা এই জায়গাটি মিস করবেন না। অসম্ভব সুন্দর একটা জায়গায শেখানকার স্মৃতি সৌধ মুগ্ধ করবে। তাজ মহলের তুলনায় কোনও অংশে কম সুন্দর নয় এটি। এখানে একটি বিশাল উদ্যান এবং একটি হ্রদও রয়েছে। এখান থেকে মেহেরণগড় ফোর্ট অসাধারণ দেখতে লাগে। স্থানীয়রা বিশ্বাস করে এই যশবন্ত থোডায় নাকি মনের ইচ্ছে পূরণ করার একটি কুয়ো রয়েছে। সেই কুয়োর কাছে এসে যদি কেউ নিজের মনের কোনও ইচ্ছের কথা জানায় সেটি নাকি পূরণ হয়।












Click it and Unblock the Notifications