Travel: পাহাড়ের কোলে সুন্দর জায়গা, ঘুরে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
বৃষ্টি মানেই পাহাড় বয়কট নয়। বৃষ্টিতেও পাহাড়ে পর্যটকদের আগমন হচ্ছে। অতি বৃষ্টিতে পাহাড়ে না যাওয়াই ভাল। তবে বর্ষা মানেই যে পাহাড় খারাপ এমনটা নয়। বরং এই সময়ে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের সৌন্দর্য একেবারেই অন্যরকম হয়ে যায়।
বর্ষায় এমনই একটা মনোরম পরিবেশে কটা দিন কাটিয়ে আসতে হলে চলে আসুন দার্জিলিংয়ের কাছে থামদাড়ায়। একেবারে অচেনা একটি জনপদ। যেখানে বছরের যেকোনও সময়ে ঘুরতে যাওয়া যায়। বর্ষায় আরও মনোরম হয়ে ওঠে জায়গাটি। ছোট্ট এই গ্রামটি শিলিগুড়ি থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

আর কালিম্পং থেকে ৬৮ কিলোমিটাপ দূরে এর অবস্থান। ছবির মতো সন্দর একটি জায়গা। পাহাড়ি গ্রামে বর্ষার মাধুর্য আলাদা। কখনও মেঘ কখমনও বৃষ্টি । আবার কখনও মেঘে কেটে পরিষ্কার আকাশে উঁকি দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা। যার টানেই বারবার পাহাড়ে ছুটে যাওয়া বাঙালি পর্যটকদের।
সন্ধে নামলে এই গ্রাম পরিণত হয় মায়াবী পুরীতে। দূরের পাহাড়ের আলো জোনাকির মজো জ্বলতে থাকে। মনে হাজার রত্ন যেন ঝকমক করছে। বর্ষার মাঝে হিমেল হাওয়া শিহরণ জাগায়। চাদর মুড়ি দিয়ে হোমস্টের বারান্দার ঘুঁটিসুঁটি মেরে বসে পাহাড়ের সেই মায়াবী রূপ উপভোগ করুন। মন ভাল হবেই।
গ্রামের কাছেই রয়েছে আবার চা-বাগান। এই সবয় চা বাগানে যাওযার অনুমতি না থাকলেও দূর থেকে দেখে মনে হয় পাহাড়ের উপরে সবুজ গালিচা বিছিয়ে দিয়েছেন কেউ। অসাধারণ সেই দৃশ্যের সাক্ষী থাকতে ঘুরে আসুন দার্জিলিংয়ের কাছের এই ডেস্টিনেশনে। তার সঙ্গে বর্ষায় পাহাড়ের প্রতিটি বাড়তে এতো ফুল ফোটে যে মনে সারা বছর যেন বসন্ত এখানে বিরাজ করে। ঘুরে আসুন এই অফবিট লোকেশনে যেখানে অসাধাকরণ কাটবে কটা দিন।
এনজেপি থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে যেতে পারেন আবার। আগে থেকে হোমস্টেকে বলে রাখলে তারাও গাড়ির ব্যবস্থা করে দেয়। কাজেই সামনেই ১৫ অগাস্ট লম্বা একটা ছুটি রয়েছে। কাজেই আগে থেকে প্ল্যানিং করে নিন। কারণ এখন বর্ষা কালেও পাহাড়ে হোমস্টে ফাঁকা থাকে না। আগের মতো বৃষ্টি হচ্ছে না এখন পাহাড়ে। পরিস্থিতিও অনেকটাই উন্নত হয়েছে। অনেক রাস্তা খুলে গিয়েছে সেকারণে পর্যটকদের আনাগোনাও শুরু হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications