Travel: শহরের কোলাহল থেকে দূরে কোথাও কটাদিন প্রকৃতির কোলে কাটাতে চান? চলে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
সারাদিন কেবল অফিসের কাজ। ক্লান্ত হয়ে যায় মন। সামেই অগস্ট মাসে বেশ কয়েকটা ছুটি রয়েছে। কেউ যদি শহরের এই কোলাহল থেকে দূরে কোথাও কটা দিন কাটি আসতে চান। তাহলে চলে আসুন কলকাতার কাছেই অফবিট ডেস্টিনেশনে।
আমাদের পাশের রাজ্য ওড়িশা বর্ষায় ঘোরার জন্য আদর্শ জায়গা। এই ওড়িশায় সমুদ্র ছা়ড়াও যে কত কি দেখার রয়েছে সেটা অনেকেই জানেন না। আমরা কেবল ছুটে যাই পুরীতে। কিন্তু এর বাইরেও ওড়িশায় প্রকৃতি সব সৌন্দর্য উজার করে দিয়েছে। ওড়িশার এমনই একটি জায়গা হল টেনসা নেচার ক্যাম্প।

এখানে একবেলার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় কলকাতা থেকে। বারবিল জনশতাব্দী এক্সপ্রেসে করে চলে আসুন বারবিলে। সেখান থেকে গাড়িতে টেনসা নেচার ক্যাম্প খুব বেশি সময় লাগে না। বারবিল পৌঁছতে দুপুর হয়ে যাবে। তারপরে সেখান থেকে গাড়িতে একটু বেলাতেই পৌঁছে যাবেন টেনসা নেচার ক্যাম্পে। এখানে রয়েছে ওড়িশা বনদফতরের থাকার বন্দোবস্ত।
জঙ্গলের মধ্যেই কটেজ সিস্টেম করে তৈরি করা হয়েছে পর্যটকদের থাকার জায়গা। এসি থেকে শুরু করে গিজার সব পরিষেবাই রয়েছে এই কটেজ গুলিতে। এখানকার পরিবেশ এতোটাই সুন্দর যে মুগ্ধ হয়ে যাবেন। অনলাইনে বুকিং করতে পারবেন। আবার এখানে থাকার সঙ্গে খাবারের টাকাও যুক্ত থাকে। কারণ জঙ্গলের মধ্যে বাইরে কোথাও খাবার খেতে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।
একেবারে সাজানো গোছানো অসাধারণ এই জায়গাটি। লাল মাটির রাস্তা দুপাশে সবুজ গাছের ছড়াছড়ি। এখান থেকে পাহাড়ের বিস্তৃত উপত্যকা দেখতে পাওয়া যায়। সেই ভিউ দেখতে দেখতে উপভোগ করতে পারবেন এই জঙ্গলের সৌন্দর্য। বিকেল নামলেই ঝিঁঝি পোকার ডাক শুনতে পারবেন।
বর্ষায় একটা ড্রিমি ওয়েদার তৈরি হয় এখানে। তার সঙ্গে ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি অসাধারণ লাগবে। ফরেস্ট ঘোরার জন্য এখানে সাইকেলের ব্যবস্থাও রয়েছে। জঙ্গলের কারণে এখানকার আবহাওয়াও বেশ মনোরম। গরম নেই বললেই চলে। বেশ ঠান্ডা ঠান্ডা অনুভূতি হবে। এই সময় সেখানে গেলে অবশ্যই একটু হালকা চাদর নিয়ে যাবেন। সঙ্গে ছোটরা থাকলে হালকা জ্যাকেট রাখবেন। যাঁরা প্রকৃতি ভালবাসেন তাঁদের কাছে এটা স্বর্গের চেয়ে কিছু কম নয়।












Click it and Unblock the Notifications