Travel: শীতের হিমেল হাওয়া গায়ে মেখে ঘুরে আসুন ঘরের কাছে 'তপ্তপানি'
শীতের শেষবেলায় কাছে পিঠে বেড়িয়ে আলতে ইচ্ছে করছে। সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়ানোর অফবিট লোকেশন অনেকেই খুঁজছেন। এমনই একটি জায়গা তপ্তপানি। এই শীতের বেলায় তপ্তপানি আদর্শ বেড়ানোর জায়গা। কারণ এখানে রয়েছে উষ্ণ জলের কুণ্ড।
ওড়িশার গঞ্জাম জেলার এই জায়গার নাম অনেকেই জানেন না। পূর্বঘাট পর্বতমালার কোলে রয়েছে এই গঞ্জাম জেলা। আর সেখানেই রয়েছে এই তপ্তপানি। উষ্ণ জলের কুণ্ডের কারণেই এই নাম। এখানে দেবী কান্দিমাতার মন্দির রয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন এই উষ্ণ কুণ্ডে স্নান করতে নাকি রোগমুক্তি ঘটে।

ঠিক যেমন আমাদের বীরভূম জেলার বক্রেশ্বরে রয়েছে উষ্ণ জলের কুণ্ড। সেখােন রোগ সারাতে সকলে স্নানন করতে যান। শীতের শেষবেলায় এই তপ্তপানিতে স্নান করে আসতে পারেন। তবে তপ্তপানির কাছে আবার রয়েছে অনেক দেখার জায়গা। যেমন অন্যতম দর্শনীয় স্থান হল চন্দ্রগিরি।
এখানে তিব্বতিদের বাস। তিব্বতি শরণার্থীরা ১৯৫৯ সালে এখানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন। এখানে একটি তিব্বতি গুম্ফাও রয়েছে। সেটিও অসাধারণ সুন্দর। বেরহামপুর থেকে তপ্তপানির দূরত্ব খুব বেশি দূরে নয়। মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে তপ্তপানি। ব্রহ্মপুর স্টেশন থেকে তপ্তপানি পৌঁছতে ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা মতো সময় লাগে। অসম্ভব সুন্দর প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার এই জায়গাটির কথা অনেকেই জানেন না।
যাঁরা নতুন বছরে নতুন কোনও জায়গায় যেতে চাইছেন তাঁদের পক্ষে আদর্শ জায়গা ওড়িশার গঞ্জাম জেলার তপ্তপানি। এখানে একদিকে যেমন উষ্ণ জলের কুণ্ড রয়েছে। যেখানে স্নান করে রোগমুক্তি বা আরাম পেতে পারেন। আরেকদিকে রয়েছে তিব্বতি গুম্ফা। সেখানে তিব্বতি শরণার্থীদের তৈরি জিনিস কিনে আনতে পারেন। একেবারে অন্যরকমের একটা অভিজ্ঞতা হবে।












Click it and Unblock the Notifications