Travel: কাঞ্চনজঙ্ঘার এতো রূপ চোখে ধরে রাখা কঠিন, ঘুরে আসুন পাহাড়ের এই অফবিট লোকেশনে
বসন্তে প্রকৃতি আরও রূপবতী হয়ে ওঠে। ঝকঝকে আকাশে হীরের একফালি হারের মতো চকচক করে কাঞ্জনজঙ্ঘা। পাহাড় বেড়ানোর এর থেকে ভাল সময় হয় না। এখন শীতের দাপটও অনেকটাই কমে গিয়েছে। এখন আবার বিয়ের মরশুম চলছে। কাজেই হানিমুনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাঁদের ক্ষেত্রে সেরা ডেস্টিনেশন হয়ে উঠতে পারে এই তানইয়াং।
উত্তরবঙ্গের একেবারেই অচেনা জায়গা এই তানইয়াং। কালিম্পং থেকে শিঞ্জি হয়ে এখানে আসতে হয়। শিঞ্জি থেকে এই তানইয়াংয়ের দূরত্ব মাত্র ২ কিলোমিটার। তাহলে আন্দাজ করতে পারছেন কতটা কাছে। কালিম্পংয়ের সামলিবংয়ের মধ্যে পড়ে এই তানইয়াং।

এর অবস্থান এতোটাই সুন্দর যে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়। সামনে কোনও বাধা না থাকায় কাঞ্জনজঙ্ঘা একেবারে সরাসরি দেখা যায়। এখন যেহেতু আকাশ একটু পরিষ্কার থাকে সেকারণে সকাল থেকে দিনভর এখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। যাঁরা পাহাড়ে বারবার ছুটে আসেন। তাঁরা কিন্তু আসেন এই কাঞ্চনজঙ্ঘার টানেই।
ছোট্ট একটা গ্রাম তানইয়াং। হোমস্টের ঘরে বসেই কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন মিলবে। শিঞ্জি থেকে এর দূরত্ব ২ কিলোমিটারের মধ্যে হলেও দৃশ্য হঠাৎ করে বদলে যাবে। এখানে অখণ্ড অবসর যাপন করতে পারবেন। হুড়ো হুড়ি করে দিনরাত না কাটিয়ে এই হোমস্টের বারান্দায় বসে কাঞ্জনজঙ্ঘাকে অপলক দৃষ্টিতে উপভোগ করুন। রোমান্টিক দিন যাপনের আদর্শ জায়গা এটি।
ভোর থেকে রাত পর্যন্ত পরতে পরতে পাহাড়ের রূপ বদল হয় কীভাবে সেটা এখন থেকে উপভোগ করতে পারবেন। সন্ধেবেলা ওপারের পাহাড়ে জগে ওঠে কালিম্পং শহর। এই ভিউকে কালিম্পংয়ের নেকলেন ভিউ বলা হয়। সেটা অন্য কোনও জায়গা থেকে তেমন দেখা যায় না।












Click it and Unblock the Notifications