Travel: ভুটান পাহাড় আর কালিম্পং পাহাড়ের মাঝে জলঢাকা নদীর পাড়ে এই অফবিট জায়গা, কাটিয়ে আসুন কটা দিন
দীপাবলি থেকে পাহাড়ের আবহাওয়া একেবারে অন্যরকম হয়ে যায়। পাহাড়ে পরিষ্কার আকাশ দেখতে হলে অক্টোবর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সেরা সময়। এই সময় পাহাড় আরও সুন্দরী হয়ে ওঠে। ঝকঝকে নীল আকাশে পাহাড়ের রূপ আরও খুলে যায়।
আর এই পাহাড়ি পথে কোনও অচেনা জায়গায় যেতে পারলে তো কথাই নেই। বেড়িয়ে আসুন উত্তরবঙ্গের একেবারে অফবিট পর্যটন কেন্দ্র সুরুকে। উত্তরবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে একেবারে অফবিট পর্যটন কেন্দ্র সরুক। একদিকে ভুটান পাহাড়। আরেকদিকে রয়েছে কালিম্পং। দুয়ের মাঝে এর অবস্থান।

ভুটান পাহাড়ের যে সৌন্দর্য তা অসাধারণ লাগে। ডিসেম্বর মাসে ভুটান পাহাড়ে তুষারপাত দেখা যায়। খাদ দিয়ে বয়ে গিয়েছে জলঢাকা নদী। হোমস্টের ব্যালকনিতে বসেই দীর্ঘক্ষণ কাটিয়ে দেওয়া যায়। খুব বেশি পর্যটক এই জায়গাটির কথা জানেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় ভুটান পাহাড়ের রূপ।
এখানে হোমস্টেতে ব্রেকফাস্ট শেষ করে ঘুরে আসুন নীচের গ্রামে। গ্রামজুড়ে কেবল চাষের কাছ। গ্রামের লোকেরা মূলত চাষের কাজ করেন। তার সঙ্গে গবাদিপশুও প্রতিপালন করা তাঁদের জীবিকা। সুরুক শব্দটি এসেছে পাইন গাছ থেকে। এখানে নাকি একটা সময়ে প্রচুর পাইন গাছ ছিল। এখন আর তেমন নেই।

এই খান থেকে একাধিক জায়গায় ঘোরা যায়। বিন্দু, ঝালং, রঙ্গোতে ঘোরার পাশাপাশি কালিম্পংয়ের একাধিক জায়গা রয়েছে যেখানে ঘুরে আসা যায়। এখানে একেবারে নিরিবিলিতে কাটানোর সেরা জায়গা। বারত ভুটান সীমান্তের একটা ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম এটি। কালিম্পংয়ের তোদের একটি অংশ এটি। শিলিগুড়ি থেকে এই সরুকের দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার।












Click it and Unblock the Notifications