Travel: পুজোয় যাঁরা পাহাড় ট্যুরের সাহস পাচ্ছেন না তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে কলকাতার কাছেই সুন্দরগড়
তিস্তার বিধ্বংসী রূপ দেখার পর অনেকেই পাহাড় ট্যুর করতে ভয় পাচ্ছেন। শেষ বেলায় একেবারে হতাশ পরিস্থিতি। কিন্তু হতাশ না হয়ে বেড়িয়ে পড়ুন নির্ধারিত দিনেই। তবে ডেস্টিনেশন হোক একটু আলাদা। কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা।
ওড়িশার সুন্দরগড়। পুরী-চিলকা-ভিতরকণিকার নাম অনেকেই শুনেছেন কিন্তু সুন্দরগড় বলে ওড়িশায় কোনও জায়গা রয়েছে সেটা অনেকেই জানেন না। ওড়িশার একেবারে অনামি অফবিট একটি পর্যটন কেন্দ্র এই সুন্দরগড়। এখানে পৌঁছতে হলে সবার আগে আসতে হবে রাউরকেল্লায়। ওড়িশার তৃতীয় বৃহত্তম শহর রাউর কেল্লা।

এই রাউরকেল্লা থেকেই গাড়ি ভাড়া করে বে়ড়িয়ে পড়ুন। শহর থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে রয়েেছ দেওধর ফলস। ১৪৩ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে গাড়ি ছুটবে। দুদিকে পাহাড় আর জঙ্গল। এই রাস্তা দিয়ে নাকি হাতি পারাপার করে। ভাগ্য ভাল থাকলে হাতির দেখাও মিলতে পারে। অসম্ভ সুন্দর এই রাস্তা।
পাকা রাস্তা থেকে গাড়ি ধীরে ধীরে জঙ্গলের মধ্যে ঢুকতে শুরু করে। ব্রাহ্মণী নদীর উপরেই রয়েছে এই ঝরনা। পাহাড় আর জঙ্গলে ঘেরা জায়গাটি । চারিদিকে পাহাড়ের মাঝে বয়ে গিয়েছে ব্রাহ্মণী নদী। শীতকালে এখানে পিকনিক করতে আসেন স্থানীয়রা। দেওধর জলপ্রপাত দেখার পর চলে আসুন দারজিং।

জারজিংও একটি পিকনিক স্পট। এখানেও রয়েছে ব্রাহ্মণী নদী। তবে এখানে ব্রাহ্মণী নদী পাথুরে। চারিদিকে বড় বড় পাথর চোখে পড়বে। কাছেই রয়েছে বীরেশ্বর মন্দির। এই দারজিং পেরিয়ে চলে আসুন খণ্ডগড় নেচার্স ক্যাম্প। পথে পড়বে বাণেশ্বর শিব মন্দির। শ্রাবণ মাসে এখানে ভক্তদের ভিড় হয়। বাকি সময় মন্দিরে তেমন ভিড় থাকে না। এই খণ্ডগড় নেচটার্স পার্কের ছোটার জন্য পারমিট নিতে হয়। অসাধারণ এই জঙ্গল। এখানে বনদফতরের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
এই নেচার্স ক্যাম্পের মধ্যেই রয়েছে খণ্ডগড় ওয়াটার ফলস। বর্ষার পরে এখানে এলে অসাধারণ লাগে খণ্ডগড় ওয়াটার ফলস দেখতে। ওড়িশার দ্বিতীয় বৃহত্তম ওয়াটার ফলস। ৭০০ সিঁড়ি ওঠে সেখানে পৌঁছতে হয়। একেবারে কাছ থেকে দেখা যায় সেই এই জলপ্রপাত।












Click it and Unblock the Notifications